জীবন কে সুন্দর করার উপায়

মানুষের সকল কাজই তার জীবনকে ঘিরে, জীবনকে গুছিয়ে সুন্দর করে তোলার প্রত্যাশা সবারই থাকে । কিন্তু হতাশা আর ব্যস্ততা মানুষকে স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক দূরে নিয়ে যায়। একটু আনন্দ আর খুশিই আপনার স্বাভাবিক জীবনকে পারে সহজ করতে । একঘেয়েমী জীবন থেকে মুক্তি পেতে চাইলে ব্যস্ত জীবনে চাই একটু বাড়তি আনন্দ আর অবকাশ ।

হতাশাকে দূরে রাখুন

জীবন কে সুন্দর করার উপায়
জীবন কে সুন্দর করার উপায়

যে কোন কাজে সফল না হলে হতাশ হয়ে পড়বেন না, এতে আপনার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হবে । বার বার অসাফল্যের কথা চিন্তা করলে আপনি শারীরীক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বেন। হতাশা জীবনে সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে অনেক বড় বাধা ।

 

সবসময় হাসি খুশি থাকুন

 

হাসি দিয়ে জয় করুন মনের সব কষ্ট আর বাধা । যে কোন বিষয়ে পজিটিভ মনোভাব ব্যক্ত করার চেষ্টা করুন । মন খারাপের বিষয় ভুলে নিজে হাসি খুশি থাকুন, সাথে অন্যদের ও হাসি আর আনন্দে থাকার পরামর্শ দিন । প্রাণ খুলে হাসুন আর কষ্টকে দিন বিদায় ।

 

নিজের যত্ন নিন

 

নিজেকে একটু সময় দিন । প্রতিদিন অন্তত এমন একটি কাজ করুন যা আপনার ভালো লাগে । পরিবার, বন্ধু ও আত্নীয়দের থেকে একটু সময় বের করে নেয়ার চেষ্টা করুন নিজের জন্য । নিজের পরিচর্যা করুন, এতে আপনার শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে ।

 

নিয়মিত ব্যায়াম করুন

 

ব্যায়াম করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে, হাঁটা সবচেয়ে ভালো ব্যয়াম । সম্ভব হলে প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় নিয়ম করে হাঁটুন । এতে আপনার স্বাস্থ্য ঝুঁকি যেমন কমবে, তেমনি আপনাকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে সাহায্য করবে । এছাড়া মন ভালো রাখতে ইয়োগা ও করতে পারেন ।

 

অবসরে ঘুরে বেড়ান

আদর্শ মানুষের বৈশিষ্ট্য

নগর জীবন থেকে একটু অবসর নিতে ঘুরে আসতে পারেন পরিবার বা বন্ধু বান্ধবের সাথে আপনার পছন্দের যে কোন জায়গায়। তবে ঘুরে বেড়ানোর জন্য যে কোন খোলামেলা জায়গা নির্বাচন করুন, এতে মনে আসবে প্রশান্তি আর অানন্দ ।

 

এই ব্যস্ত জীবনকে সহজ করে তোলা মোটেই সহজ ব্যাপার না তবে একটু চেষ্টা করলে ক্ষতি কী! আপনার গতিময় জীবনকে সহজ ও সফল করে তুলতে ।আছে আপনার পাশেই । আপনার যে কোন পরামর্শ বা সেবার প্রয়োজন হলে শেয়ার করুন আমাদের সাথে । সহজ হোক আপনার জীবন, সুন্দর হোক আপনার পথচলা ।

১. কখনো বলবেন না- ‘কিন্তু’ অত্যন্ত সফল এক নারী বলছিলেন, তিনি তাঁর পেশাদার জীবন থেকে ‘কিন্তু’ কথাটা বাদ দিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে তিনি তাঁর ধারণার ওপর অনেক বেশি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। এর ফলে তাঁর টিম মেম্বাররাও ভালো সহযোগিতা করছেন।

২. না চাওয়া পর্যন্ত কিছুই পাবেন না ইউনিভার্সিটির এক প্রফেসর প্রথম বিষয়টা নজরে আনেন। তিনি বলেন, ‘আপনি যদি কোনো কিছু না চান, তাহলে উত্তর হবে সবসময়- না।

’ ৩. অভিযোগ করার আগে আরেকবার ভাবুন অনেকে বলেন ‘অভিযোগ করবেন না।’ খুব সমস্যা ছাড়া কারো নামে অভিযোগ করা উচিত নয়। এটা নেতিবাচক মনোভাবের বহির্প্রকাশ এবং আপনার কোনো কাজে আসবে না।

৪. সময় এমন একটা জিনিস, যা কখনো ফিরে আসে না সময় এমন একটা সম্পদ, যা কাউকে দিয়ে দেওয়া যায়, খরচ করা যায় বা নষ্ট করা যায়। তা নিয়ে আপনি যাই করুন না কেন, একবার চলে গেলে এটা আর ফেরত পাবেন না।

৫. ‘আচরণ’ আপনার ‘মেধা’র চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিশালী ইতিবাচক আচরণ আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এমনকি এটা কারো মেধার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ গুণ বলে জানাচ্ছেন বিখ্যাতরা। বহু ব্যক্তি খেলাধুলা, বিনোদন, রাজনীতি, বিজ্ঞান ও শিল্পে মেধাবী ছিলেন। কিন্তু তারা তাদের আচরণের জন্য বিফল হয়েছেন।

৬. ‘মান’ সবসময় ‘সংখ্যা’র তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ আপনি যদি কোনোকিছু করতে চান, তাহলে তা এমনভাবে করুন, যেন তা দ্বিতীয়বার করতে না হয়। কোনো কাজ করার জন্য পেছনে ফিরে যাওয়া নিঃসন্দেহে অপচয়।

৭. নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠুন আপনি যা বলেন, তাই করুন। কথা ও কাজে মিল রাখুন।

৮. জীবন কে সুন্দর করার উপায় সঠিক বিষয় করুন আপনি যা করতে চাইছেন, তা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতিতে করুন।

৯. ধীর পদক্ষেপে এগোন ধীরে ধীরে লম্বা পদক্ষেপে এগোনো সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আপনি যদি ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে যান, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তা করতে পারবেন।

১০. সবকিছুর সমাপ্তি এক জায়গাতেই ইতালিয়ান প্রবাদে প্রকাশ ‘সব খেলা শেষে রাজা-প্রজা সবাইকে এক বাক্সেই ঢুকতে হবে।’ যার অর্থ দাঁড়ায় আপনি আপনার জীবনে অর্জিত অর্থ, সম্মান, প্রতিপত্তি ইত্যাদি কোনোকিছুই কবরে নিয়ে যেতে পারবেন না।

১১. সময় মানে টাকা নয়, এটা তার চেয়েও দামি সব সময় টাকার চেয়ে বেশি মূল্যবান হিসেবে সময়কে বিবেচনা করবেন। কারণ সময় টাকার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। জীবনের শেষে আপনার অনেক টাকা থাকলেও আপনি সময় কিনতে পারবেন না।

১২. অন্যের ভাবনা নিয়ে চিন্তা করবেন না অন্য মানুষ সবসময় তাদের নিজেকে নিয়েই ভাবে। এ কারণে তাদের চিন্তার চেয়ে নিজের চিন্তাতেই গুরুত্ব দিতে হবে।

১৩. নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিষয়ই নিয়েই কাজ করুন জীবনের কাজে সবসময় আপনার নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিষয়গুলো নিয়েই সময় ব্যয় করুন।

যে বিষয় আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, তা নিয়ে কাজ করে কোনো লাভ নেই।

১৪. অন্যের কথা শুনুন প্রকৃতিপদত্ত আপনার দুটি কান ও একটি মুখ সঠিকভাবে ব্যবহার করুন।

১৫. দরকার হলে ঝুঁকি গ্রহণ করুন জীবনের প্রয়োজনের সময় ঝুঁকি গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের পরিচয় দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *