বাংলার হোমিও চিকিৎসা

বাংলার হোমিও চিকিৎসা

হোমিও চিকিৎসা 1790 সালে আবিষ্কৃত তার এ চিকিৎসা পদ্ধতির নাম হোমিওপ্যাথি । তিনি আরো প্রমাণ করেন যেকোনো ওষুধ সুস্থ মানুষের ওপর যে রোগ লক্ষণ সৃষ্টি করে তা সৃদশ লক্ষণের রোগীকে আরোগ্য করতে পারে। অর্থাৎ ওষুধের রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষমতার মাধ্যমেই এর রোগ আরোগ্যকারী ক্ষমতা নিহিত।

 

বাংলার হোমিও চিকিৎসা, code
বাংলার হোমিও চিকিৎসা
হোমিও চিকিৎসা

 

হোমিওপ্যাথি ও এন্টিবায়োটিক


-->

কেবল সেই সব ঔষধকেই এন্টিবায়োটিক বলা হয় যারা রোগের সাথে সম্পর্কিত জীবাণুকে হত্যা বা জীবাণুর বংশবৃদ্ধি বন্ধ করতে পারে। এন্টিবায়োটিক( Antibiotic ) গ্রুপের ঔষধসমূহ আবিষ্কৃত হওয়ার কারণেই এলোপ্যাথির এতো অগ্রগতি, এতো দ্রুত কাজ করে। কিন্তু এর অনেক খারাপ দিকও রয়েছে যা সাধারণ মানুষের জ্ঞান-সীমার বাইরে।

এন্টিবায়োটিকের দ্রুত কাজ করার কারনেই আমাদের এলোপ্যাথ ডাক্তার সাহেবগণ কথায় কথায় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন যা কোন ভাবেই এতো অপব্যবহার উচিত না । সে যাক, হোমিওপ্যাথিতে এন্টিবায়োটিক নামে ঔষধের কোন গ্রুপ নাই বটে ; তবে বেশ কিছু হোমিও ঔষধ আছে যাদেরকে লক্ষণ মিলিয়ে প্রয়োগ করতে পারলে, দেখবেন এরা বাজারের যে-কোন উচ্চশক্তির এন্টিবায়োটিকের চাইতেও ভালো এবং দ্রুত কাজ করছে।

যেমন – Aconitum nap, Arsenic alb, Arnica, Belladonna, Baptisia tin, Echinacea ang, Kali bichromicum, Lachesis, Ferrum phos, Hepar sulph, Mercurius sol, Phosphorus, Pulsatilla, Pyrogenium এবং Veratrum alb ঔষধগুলিকে বিপদজ্জনক পরিস্থিতিতে হোমিও এন্টিবায়োটিকরূপে ব্যবহার করতে পারেন। এদের বাইরেও আরো অনেক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আছে, যাদের লক্ষণ মিলিয়ে প্রয়োগ করলে এন্টিবায়োটিকের মতো ফল পাবেন।

সাধারণত মারাত্মক কোন জীবাণুর আক্রমণ (infection) নিয়ন্ত্র্রণ এবং নিমূর্ল করতে যে-কোন হাই-পাওয়ারের এন্টিবায়োটিকেরও দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যায় ; কিন্তু যদি ঠিক-ঠাক মতো লক্ষণ মিলিয়ে হোমিও ঔষধগুলো উচ্চ শক্তিতে প্রয়োগ করতে পারেন, তবে দেখবেন দুই-এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোন মারাত্মক ইনফেকশানও নিয়ন্ত্রনে এসে যায়।

আরেকটি কথা হলো এন্টিবায়োটিকগুলো সাধারণত ব্যাকটেরিয়া (bacteria) নিধন করতে পারে কিন্তু ভাইরাস (virus) দমন করতে পারে না; কিন্তু হোমিও ঔষধগুলো যথাযথভাবে ব্যবহার করতে পারলে সেগুলো ব্যাকটেরিয়া-ভাইরাস-ফাংগাস সবই মুহূর্তের মধ্যে বিনাশ করে দিবে।

এলোপ্যাথিতে যদিও কিছু এন্টিভাইরাল ঔষধও আছে, কিন্তু এদের দাম এতো বেশী যে তাতে রোগীদের ভিটে-মাটি বিক্রি করা লাগতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে রক্তের কালচার টেস্ট (Culture test) করে জানতে হয়, কোন জাতের বা উপজাতের জীবাণু আক্রমণ করেছে এবং কোন এন্টিবায়োটিকে তাকে মারা সম্ভব ! কিন্তু হোমিও ঔষধগুলো ঠিকমতো লক্ষণ মিলিয়ে দিতে পারলে জীবাণু নিশ্চিতই বিনাশ হবে, তাদের জাত-কুল জানা যাক আর না যাক।

তাছাড়া হাই-পাওয়ারের এন্টিবায়োটিকগুলোর সাইড-ইফেক্ট এতই মারাত্মক, তাতে যে কারোর অকাল মৃত্যুও হয়ে যেতে পারে। এগুলো মস্তিষ্ক (brain) বা স্নায়ুতন্ত্রের (nervus system) এবং হাড়ের মেরুমজ্জার (bone-marrow) এত বেশি ক্ষতি করে যে, তাতে যে কেউ প্যারালাইসিস (Paralysis), ব্রেন ড্যামেজ (Brain damage), ব্লাড ক্যানসার (Blood cancer), সারাজীবনের জন্য কংকালসার (Emaciation) হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু হোমিও ঔষধগুলোর মধ্যে এমন জঘন্য ধরনের কোন সাইড-ইফেক্ট নাই ; এমনকি ছোট্ট শিশুরাও যদি ভুল ঔষধ খেয়ে ফেলে তাতেও না।

আরেকটি কথা হচ্ছে, এন্টিবায়োটিকগুলো ক্ষতিকর জীবাণু বিনাশের সাথে সাথে আমাদের শরীরের অনেক উপকারী জীবাণুকেও বিনাশ করে দেয় ; কিন্তু হোমিও ঔষধগুলো উপকারী জীবাণু হত্যা করে না। এজন্য অনেক বিজ্ঞানী এন্টিবায়োটিককে মনে করেন আন্দাজে বোমা মারার সমান ; যাতে দুশমনও মরে আবার নিরীহ মানুষও মরে আবার কখনও কখনও বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয়-স্বজনও মরে সাফ হয়ে যায়।

(১) Aconitum napellus :

যে-কোন রোগই হউক না কেন, যদি সেটি হঠাৎ করেই শুরু হয় এবং শুরু থেকেই মারাত্মকরূপে দেখা দেয় অথবা দুয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করে, তবে একোনাইট হলো শ্রেষ্ট এন্টিবায়োটিক। রোগের উৎপাত এত বেশী হতে পারে যে, তাতে রোগী মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে।

(২) Bryonia alba :

যদি রোগীর গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে থাকে, অনেকক্ষণ পর পর বেশি পরিমানে পানি পান করতে চায়, নড়াচড়া করলে রোগীর কষ্ট বৃদ্ধি পায়, পায়খানা শক্ত ইত্যাদি লক্ষণ থাকে, তবে হোউক না তা টাইফয়েড, এপেন্ডিসাইটিস, নিউমোনিয়া বা আরো মারাত্মক কোন ইনফেকশান, ব্রায়োনিয়াই হবে তার শ্রেষ্ট এন্টিবায়োটিক। উচ্চ শক্তিতে (১০০০, ১০০০০, ৫০০০০) এক ডোজ ব্রায়োনিয়া খাইয়ে দিন ; সম্ভবত দ্বিতীয় ডোজ খাওয়ানোর আর প্রয়োজন হবে না।

(৩) Belladonna :

যে-কোন রোগে যদি সারা শরীরে বা আক্রান্ত স্থানে উত্তাপ বেশী থাকে, আর যদি আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে যায়, শরীর জ্বালা–পোড়া করতে থাকে, তাহলে বেলেডোনাই হলো তার শ্রেষ্ট এন্টিবায়োটিক। যে কোন রোগের সাথে যদি রোগী প্রলাপ বকতে থাকে (অর্থাৎ এলোমেলোভাবে কথা বলতে থাকে), তাহলে বুঝতে হবে যে রোগীর ব্রেনে ইনফেকশান হয়েছে এবং এসব ক্ষেত্রে বেলেডোনা হলো তার সেরা এন্টিবায়োটিক।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন – করনীয় ও বর্জনীয়


১. খালি পেটে ঔষধ সেবন করবেন। ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না।

২. আপনার সহ্য হয় এমন পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য খাবেন।

৩. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় সময় আহার করবেন ও নিদ্রায় যাবেন।

৪. দৈনিক কমপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুমাবেন।

৫. দৈনিক প্রচুর শীতল পানি পান করবেন (৪ থেকে ৫ লিটার)।

৬. নির্দোষ বিনোদন ও খেলাধুলায় অংশ নিতে পারেন।

৭. প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কমপক্ষে ১ ঘন্টা খোলা বাতাসে হাঁটবেন। সাধ্যমত শারীরিক পরিশ্রম করবেন।

৮. সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবেন ও মনকে প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করবেন।

৯. মন থেকে সকল প্রকার কুচিন্তা বাদ দিয়ে ধর্মীয় জীবন-যাপনের চেষ্টা করবেন।

 

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন যা করা নিষেধ:

১. ঔষধ সেবনের আগে ১ ঘণ্টার মধ্যে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না।

২. ঔষধ খাওয়ার পরে ১ ঘণ্টার মধ্যে কোন প্রকার কষ্টকর শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করবেন না।

৩. কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য, দাঁতের মাজন বা পেষ্ট ব্যবহার করবেন না।

৪. টক ও টকজাতীয় দ্রব্য, নোনা মাছ, মদ, চা, কফি, তামাকসহ সকল উত্তেজক দ্রব্য এবং যে সব খাদ্য খেলে আপনার রোগ বাড়ে তা খাবেন না।

৫. কুরুচিপূর্ণ বই-পুস্তক পাঠ ও কামোদ্দীপক আলাপ আলোচনা করবেন না।

প্রয়োজনীয় হোমিওপ্যাথি ঔষধ


হোমিওপ্যাথি হলো একটি সর্বজনীন চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে রোগ লক্ষণের সাথে ঔষধের লক্ষণের সাদৃশ্য নির্দ্ধারণ করে ঔষধ নির্বাচন করতে হয়। ঔষধ যত সাদৃশ্য হবে নিশ্চিত কার্যকরী হবে। সাদৃশ্য নির্ধারণে বিশ্বখ্যাত হোমিওপ্যাথদের লেখা মেটারিয়া মেডিকা অধ্যায়ন করা জরুরী। তাই দ্রুত ও অতি সহজে ঔষধ নির্বাচন করার জন্য মেটেরিয়া মেডিকা হতে নিম্নে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হলঃ

বাত রোগে :-

বর্ষাকালে বা ঝড় বৃষ্টির পূর্বে শরীরে ছিড়িয়া ফেলার মত ব্যথা লক্ষণে রডোডেন্ড্রন-1M.
ব্যথা এক গাঁট হতে অন্য গাঁটে সরে যায় এবং অবশেষে হৃদপিন্ড আক্রমন করা লক্ষণে অরাম মেট-২০০
প্রতি বসন্তকালে আক্রমন। এক অঙ্গ হতে অন্য অঙ্গে দ্রুত পরিবর্তন লক্ষণে ক্যালি বাইক্রোম-২০০

অজীর্ণ রোগে :-

বুক জ্বালা, উপর পেটে খালি খালি বোধ, অত্যন্ত গা বমি বমি, মুখে থু থু উঠা লক্ষণে- লোবেলিয়া-৩০
পাকস্থলীতে ব্যথা আরম্ভ হয়ে বুক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে গা বমি-বমি, কিছু খাইলে উপশম – পেট্রোলিয়াম-২০০
আহারের পরে পেট ফুলে উঠে ও উদ্‌গারসহ পচা গন্ধযুক্ত বায়ু নির্গত হয়-এসিড স্যালিসিলিক-৬
আহারের পরই পেট জ্বালা। কিছুক্ষণ পরে গা-বমি বমি অবশেষে অজীর্ণভুক্ত-পদার্থ বমন লক্ষণে – ক্রিয়োজোট-২০০
পেটে ভয়ানক বায়ু জন্মাইয়া ফাঁপে, বায়ু নিঃসরণ হয় না লক্ষণে -এসাফিটিডা-৩০

উকুন হলে :-

স্ট্যাফিস্যাগ্রিয়া Q(Mother Tincture) বাহ্য প্রয়োগে এবং ৩০ হইতে উচ্চক্রম শক্তিতে সেবন করলে ভালো কাজ করে। এছাড়া স্যাবাডিলা ঔষধটিও খুবই উপকারী। যদি শরীরের চর্মে উকুন থাকে তবে পিক্রোটক্সিন অব্যর্থ।

কানে খোল হলে :-

যদি কালো খোল থাকে তবে ইলাপ্‌স কর-২০০
খুব বেশি খোল হলে কস্টিকাম-৩০, ২০০
যদি অতিরিক্ত খোলের কারণে কানে কম শুনে তবে কোনিয়াম-২০০

স্নায়ুশুল রোগে :-

মুখমন্ডলের ডান দিকে ব্যথা শুরু হয়ে ডান বাহুতে ছড়িয়ে পড়ে তারপর অসাড় বোধ লক্ষণে ক্যালমিয়া ল্যাট-২০০
আক্রান্ত স্থান নড়লেই ব্যথার উৎপত্তি ও ভীষণ বৃদ্ধি। স্পর্শে বৃদ্ধি কিংবা ব্যথা কমে যাবার পর স্পর্শ করলে পুনরায় আরম্ভ হয় ও অসহ্য বোধ হয়। জোরে চাপ দিলে উপশম লক্ষণে চায়না-সিএম(CM)।

স্বেত প্রদর রোগে :-

কোমরে বেদনাসহ স্রাব । যোনিদ্বারে চুলকানি ও জ্বালাসহ হলদে ক্ষতকর স্রাব লক্ষণে ক্যালি কার্ব-২০০
কোষ্ঠবদ্ধতা ও যোনিতে স্পর্শ কাতরতাসহ কেবল ডিমের লালার মত স্রাব লক্ষণে প্লাটিনা-২০০
ঋতুর ঠিক ১০ দিন পরে স্রাব। ঝাঁঝালো, রক্তমিশ্রিত বা দুধের মত সাদা ও প্রচুর লক্ষণে কোনিয়াম-২০০
ঝাঁঝালো ও জ্বালাকর স্রাব। যোনিদ্বারে চুলকানি ও ছনছনানি বোধ। রাত্রে বৃদ্ধি লক্ষণে মার্ক সল-৩x.

সায়েটিকা কটিস্নায়ু বাত রোগে :-

সর্বদা সঙ্কোচন ও টানা ছেঁড়ার মত বেদনা, গরম সেঁকেও সামান্য বৃদ্ধি। জোরে মালিশে উপশম লক্ষণে প্লাম্বাম-২০০
চলাফেরায় উপশম, বসে থাকলে বৃদ্ধি। সর্বাঙ্গে অবশ ভাব। রাত্রে কোমরে ও উরুতে জ্বালা লক্ষনে ইউফর্বিনাম Q বা ৩x

ফোড়া এ চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি


ফোঁড়াঃ ফোঁড়া হচ্ছে একধরণের প্রদাহ যা চুলের ফলিকল এবং কাছাকাছি ত্বকের কোষকে সংক্রমণ করে।

এসম্পর্কিত অবস্থার মধ্যে রয়েছে:

* কার্বাঙ্কোলসিস (Carbunculosis)
* ফলিকুলাইটিস (Folliculitis)

কারণসমূহঃ

ফোঁড়া খুবই সাধারণ। তারা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়া স্টেফাইলোকক্কাস অরিয়াস (Staphylococcus aureus) দ্বারা সৃষ্ট। এরা চামড়ার পৃষ্ঠতলে অন্যান্য ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এরা চুল গুটিকা (hair follicle) সংক্রমণ এটিকে নষ্ট করে এবং অধীনস্ত ফলিকল ও টিস্যুর গভীরে আক্রান্ত করে।

ফোড়া শরীরের যেকোন স্থানের চুলের ফলিকল (follicles) মধ্যে ঘটতে পারে। এরা মুখ, ঘাড়, বগল, নিতম্ব , এবং উরুতে সচরাচর ঘটে থাকে। একই সাথে এক অথবা একাধিক ফোড়া হতে পারেন।

লক্ষণঃ

* ফোঁড়া স্পর্শকাতর, গোলাপী – গোলাপী লাল, চামড়ায় ফোলা, দৃঢ় এলাকা হিসাবে বিবেচনা করতে পারেন। সময়ের সাথে সাথে, এটি একটি পানি ভরা বেলুন বা আমের মত মনে হবে।

* এতে পূঁজ এবং মৃত টিস্যু সঙ্গে মিলিত হয়ে ব্যথা প্রকাশ পায়। ফোঁড়া থেকে পুঁজ নির্গমন হলে ব্যথা কমে যায়।

একটা ফোঁড়ার প্রধান লক্ষণ হল:

* একটি মটর দানা পরিমাণ বা আচমকা একটি গলফ বলের মত বড় হতে পারে যার কেন্দ্র সাদা বা হলুদ ( pustules )।
* অন্যান্য ত্বকের এলাকায় ছড়ানো বা অন্যান্য এলাকা ফোঁড়ার সঙ্গে যোগদান
* দ্রুত বৃদ্ধি
* ক্ষরণ অথবা শক্ত

অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে থাকতে পারে :

* ক্লান্তি
* জ্বর
* সাধারণ অসুস্থ্য অনুভূতি
* ফোঁড়া বিকাশের আগে চুলকানি
* ফোঁড়ার চারপাশের চামড়া লালভাব

পরীক্ষা নিরীক্ষাঃ

স্বাস্থ্যের যত্ন প্রদানকারী চোখের দেখাতেই এটা ফোঁড়া নির্ণয় করতে পারেন। ফোঁড়া থেকে কোষের একটি নমুনা Staphylococcus বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান করার জন্য ল্যাব পাঠানো হতে পারে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ

Belladonna : বেলেডোনা ঔষধটি ফোড়ার প্রথম দিকে (Early stage of boils) ব্যবহার করতে হবে যখন ফোড়া মাত্র উঠেছে, আক্রান্ত স্থানটি গরম হয়ে আছে (Hot) এবং লাল (Red) হয়ে ব্যথা (Pain) করছে। বেলেডোনা ফোড়াতে পুঁজ হওয়া বন্ধ করে তাকে পাকতে দিবে না এবং তাকে বিসমিল্লাতেই খতম করে দিবে।

Hepar sulphur : হিপার সালফার হলো ফোড়া সবচেয়ে বিখ্যাত হোমিও ঔষধ। যে-সব ফোড়ায় সাংঘাতিক ব্যথা থাকে; ব্যথার কারণে স্পর্শ করা যায় না, তাতে হিপার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। ফোড়া পাকাতে চাইলে নিম্নশক্তিতে (0৩, 0৬) খান আর ফোড়া না পাকিয়ে সারাতে চাইলে উচ্চশক্তিতে (২০০) খান।

Arnica montana : যে-কোন ঘা কিংবা ফোড়ায় আর্নিকার প্রধান লক্ষণ হলো মাত্রাতিরিক্ত ব্যথা। তাতে স্পর্শ করলে এমনই প্রচণ্ড ব্যথা হয় যে, রোগী তার দিকে কাউকে আসতে (Someone comes ) দেখলেই ভয় পেয়ে যায় এবং সাবধানতা অবলম্বন করে যাতে ফোড়া-ঘায়ে কোন ধাক্কা না লাগে। যাদের শরীরে ছোট ছোট ফোড়া একটার পর একটা উঠতেই থাকে এবং সেগুলোতে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে, তারা আর্নিকা খেতে ভুলবেন না। কোন স্থানে আঘাত লেগে যদি ঘা হয় বা ফোড়া হয়, তবে আর্নিকা সেবন করা উচিত। আর্নিকা কেবল ব্যথার ঔষধ নয় বরং এটি একই সাথে ঘা/পুঁজ ও সারিয়ে দেয় অর্থাৎ এন্টিবায়োটিকের কাজও করে থাকে।

Silicea : যেই ফোড়া পেকে অনেকদিন থেকে পুঁজ পড়তেছে কিন্তু সারতেছে না অথবা খুবই ধীরে ধীরে সারতেছে, এমন অবস্থায় সিলিশিয়া ঔষধটি প্রযোজ্য। সিলিশিয়ার পুঁজ থাকে পানির মতো পাতলা।

Mercurius solubilis : যে ফোড়া বা ঘায়ে পুঁজ হয়ে গেছে, তাতে মার্ক সল প্রযোজ্য। মার্ক সলের ব্যথা রাতের বেলা বৃদ্ধি পায়। দাঁতের মাড়িতে ঘা বা ফোড়া হলে মার্ক সলের কথা এক নাম্বারে চিন্তা করতে হবে। মার্ক সল নিম্নশক্তিতে খেলে সেটি ফোড়াকে পাকিয়ে সারাবে আর উচ্চশক্তিতে খেলে না পাকিয়ে সারিয়ে থাকে।

Lachesis : ফোড়ার রঙ যদি একটু নীলচে-লাল (Blueish – red) হয়, তবে ল্যাকেসিস হলো তার সবচেয়ে উপযুক্ত ঔষধ।

Echinacea angustifolia : ইচিনেশিয়া’কে বলা হয় হোমিওপ্যাথিক এন্টিবায়োটিক। যে-কোন ফোড়া বিশেষ করে মারাত্মক ধরণের ফোড়ায় নিশ্চিনে- এই ঔষধটি ব্যবহার করতে পারেন।

Nitric acid : অতীতে যাদের সিফিলিস (syphilis) হয়েছিল অথবা সিফিলিস আক্রান্ত পিতা-মাতার সন্তানদের ফোড়া-ঘা ইত্যাদিতে নাইট্রিক এসিড ঔষধটি অসাধারণ।

Pyrogenium : যখন কোন ফোড়া বা ঘা দীর্ঘদিনেও সারতে চায় না কিংবা যাদের শরীরে সারা বছরই ফোড়া উঠতে থাকে, তারা পাইরোজেন ঔষধটি কয়েক সপ্তাহ খান। এটি আপনার পুরো শারীরিক সিষ্টেমকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দিবে। ফলে দু’দিন পরপর ফোড়া উঠার সমস্যা চলে যাবে।

শ্বাস কষ্টের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি


হাঁপানি বা এ্যাজমা (Asthma)

দীর্ঘমেয়াদী হাঁপ বা বারবার হাঁপের আক্রমণকে হাঁপানি বলে। হাঁপানি শ্বাসতন্ত্রের ক্রনিক প্রদাহ জনিত ও ক্ষুদ্র শ্বাসনালীগুলোর রোগ, যাতে ক্ষুদ্র শ্বাসনালীগুলো সর্বদা প্রদাহজনিত কারণে লাল এবং সংবেদনশীল থাকে। এ সংবেদনশীল ক্ষুদ্র শ্বাসনালীগুলো যদি ঠাণ্ডা, ভাইরাস জীবাণু অথবা হাঁপানি উদ্দীপক অন্য কোন বস্তুর সংস্পর্শে আসে তখন সেগুলোতে প্রতিক্রিয়া জনিত সংকোচন ঘটে ফলে শ্বাস নালী সংকীর্ণ হয়ে শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয় এবং রোগীর শ্বাস কষ্ট হয়।

কারণ (Cause)

  • প্রচলিত চিকিৎসা মতে – অনেক সময় সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না।
  • হোমিওপ্যাথি মতে- সোরা ও সাইকোসিস উপবিশ এর প্রধান কারণ। যেমন কারো গনোরিয়া বা চর্ম রোগ মলম দিয়ে বা বিসদৃশ পন্থায় বিতাড়িত করার পরে এ রোগটি ফুসফুসে আক্রমণ করলে রোগের নাম হয় হাঁপানি, লিভারে আক্রমণ করলে এর নাম হয় লিভার সিরোসিস, কিডনিতে আক্রমণ করলে এর নাম হয় নেফরোসিস।
  • হোমিওপ্যাথি মতে- গনোরিয়া বা চর্ম রোগ মলম দিয়ে বা বিসদৃশ পন্থায় বিতাড়িত করার কুফল বংশানুক্রমিক বিস্তার লাভ করে।
  • এলার্জি-এলার্জির কারণে হাঁপানি হতে পারে। ধূলা, বালি, ফুলের রেণু, পশুপাখির লোম, পালক, বিভিন্ন ধরনের খাদ্য যেমন – ইলিশ মাছ, গরুর মাংস, বেগুন, ডিম ইত্যাদিতে যদি কারো এলার্জি থাকে তবে এগুলোর সংস্পর্শে এলে বা খেলে হাঁপানি হতে পারে। কম্বল, কার্পেট, লোমশ পোশাক অনেক সময় কারণ হতে পারে।
  • বংশগত- যদি কারো বংশে হাঁপানির ইতিহাস থাকে তবে তার হাঁপানি হতে পারে।
  • শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ- ধূমপান করলে হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

উপসর্গ ও লক্ষণ Symptom & Sign)

  • শ্বাস কষ্ট: হাঁপানি রোগের প্রধান লক্ষণ হলো অল্পক্ষণ স্থায়ী শ্বাস কষ্ট। শ্বাস টেনে ভেতরে নেয়ার চেয়ে নিশ্বাস ফেলবার সময় কষ্ট বেশি হয়। বুকের ভেতর চাপ অনুভূত হয়। রোগী শুয়ে থাকতে পারে না, বসে সামনের দিকে ঝুঁকে শ্বাস নেয়। শ্বাস কষ্ট যে কোন সময় হতে পারে। তবে রাতের দিকে বিশেষ করে শেষ রাতে বেশি হয়। শ্বাস কষ্ট কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
  • শোঁ শোঁ শব্দ: বুকের ভেতরে শোঁ শোঁ শব্দ শোনা যায়। স্টেথোস্কোপ বুকের উপর বসিয়ে সুস্পষ্টভাবে এই শব্দ শোনা যায়। তীব্র সংক্রামণ হলে স্টেথোস্কোপ ছাড়াই শোনা যায়। নিঃশ্বাসের সময় শব্দ বেশী হয়।
  • ঘাড়ের দুপাশে মাংসপেশি নিঃশ্বাসের সাথে ফুলে ফুলে উঠে।
  • বুকের খাঁচার মাংসপেশিগুলো ভেতরের দিকে ঢুকে যায়। যাদের দীর্ঘদিন ধরে এই রোগ থাকে তাদের বুকের খাঁচার আকৃতি অনেকটা ব্যারেলের মতো হয়ে যায়। অর্থাৎ দুপাশ চাপা, গোলাকার হয়ে উঠে।
  • কাশি থাকে এবং তার সাথে সাদা বা হলুদ কফ থাকতে পারে।

প্রকার ভেদ (Classification) :

  • এপিসোডিক হাঁপানি (Episodic Asthma) : হঠাৎ শ্বাস কষ্ট সাধারণত শ্বাস ফেলার সময় যার সাথে শাঁইশাঁই শব্দ থাকে । যখন ভালো হয়ে যায় তখন রোগের কোন লক্ষণ থাকে না।
  • ক্রনিক হাঁপানি (Chronic Asthma) : এটা এপিসোডিক হাঁপানি যা বছরের পর বছর কখনো না কখনো চলে। কিন্তু ভালো সময়ে কিছু পরিমাণ শ্বাস কষ্ট থাকে । কাশি মিউকাস মিশ্রিত থুথু এবং বার বার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রামণ দেখা যায় । যখন রোগের অন্য লক্ষণ থাকে না তখনও Rhonchi দেখা যায় ।
  • হঠাৎ মারাত্মক হাঁপানি (Acute severe Asthma) : এ ধরনের খুবই মারাত্মক । এই হাঁপানি থেকে রোগীর মৃত্যু ঘটতে পারে । উপসর্গ ও লক্ষণ:
    • ১) নাড়ীর গতি হঠাৎ ১২০ বারের বেশী সেই সাথে পালসাস প্যারাডক্সাস থাকে এবং পরে কমতে থাকে ।
    • ২) এক সাথে পুরো বাক্য বলে শেষ করতে পারে না ।
    • ৩) সেন্ট্রাল সায়ানোসিস থাকতে পারে ।
    • ৪) অবসন্নতা, রক্তচাপ প্রথমে বাড়ে পরে কমতে থাকে ।
    • ৫) ফুসফুসের কোন শব্দ না হওয়া (Silent chest) ।

 

হঠাৎ মারাত্মক হাঁপানির চিকিৎসা: হঠাৎ মারাত্মক হাঁপানির চিকিৎসার প্রধান কথাই হল রোগীকে দ্রুত বিপদমুক্ত করতে হবে। হোমিও ঔষধ দিয়ে রোগীকে সাথে সাথে হাসপাতালে পাঠাতে হবে। হোমিও ঔষধে কাজ হলে হাসপাতালে যাওয়ার পূর্বেই রোগী সুস্থ অনুভব করবে। রোগী সহনশীল অবস্থায় ফিরে এলে লক্ষণ ভিত্তিক হোমিও চিকিৎসা করতে হবে।

প্রতিরোধ (Prevention) :

  • রোগীর অভিজ্ঞতা অনুসারে যে যে কারণে (আবহাওয়া, বিশেষ খাদ্য ও পানিয়, গোসল ও পরিবেশ ইত্যাদি) হাঁপানির টান বেড়ে যায় তা থেকে রোগীকে দূরে থাকতে হবে ।
  • ধূমপান এবং সব রকমের ধোয়া থেকে রোগীর দূরে থাকা প্রয়োজন ।
  • কম্বল, কার্পেট, লোমশ পোশাক, ঘর ঝাড়া, কুকুর, বিড়াল, খরগোস ইত্যাদির মাধ্যমে হাঁপানির সংক্রমণ ঘটতে পারে তাই এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে ।

 

চিকিৎসা, লক্ষণ ও তার রেপার্টরি রুব্রিকঃ (পুর্নাঙ্গ ভাবে রোগ আরোগ্য করা হোমিওপ্যাথির বলিষ্ঠ দাবি)

হোমিওপ্যাথিতে হাঁপানি রোগের চিকিৎসার জন্য নিচে দেয়া ২৮৭ টি লক্ষণ ও তার রেপার্টরি রুব্রিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি লক্ষণের আলাদা আলাদা ঔষধ হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে। যারা চিকিৎসা নিতে চান তারা এ লক্ষণ সমূহের সাথে কোনটা আপনার রোগের সাথে মিলে তা ডাক্তারকে স্পষ্ট করে জানালে চিকিৎসা পেতে সহজ হবে।

Murphy Mind

  1. আক্ষেপিক কান্না করে, তার সহিত হাঁপানি – CRYING, convulsive asthma, with (1)
  2. হাস্য করে, তার সহিত হাঁপানি – LAUGHING, asthma, with (1)
  3. হাস্য করে, আকস্মিক, তার সহিত হাঁপানি – LAUGHING, spasmodic asthma, with (1)
  4. আত্বহত্যা প্রবন ব্যাক্তির, হতাশা, হাঁপানির টান হতে – SUICIDAL, despair, from asthma, during spell of (1)

Murphy Constitution

  1. হাঁপানি, ধাতুগত – ASTHMATIC, constitutions, (28)2 ambr, 2 arg-n, 3 ARS, 2 ars-i, 1 asaf, 2 aur, 1 blatta, 1 calc, 1 carc, 2 colch, 1 eucal, 1 iod, 2 ip, 1 kali-ar, 3 KALI-C, 2 kali-i, 1 kali-n, 3 LOB, 3 MERC, 2 mosch, 3 NAT-S, 1 phos, 2 puls, 1 samb, 1 sil, 1 spong, 2 sulph, 3 TUB
  2. হাঁপানি, ধাতুগত ভাবে ফুলের গন্ধে আক্রান্ত হয় – ASTHMATIC, constitutions, odor of blossoms, affected by (2)
  3. পিত্তরস প্রধান, ধাতুগত ব্যাক্তির হাঁপানি – BILIOUS, constitutions asthma (3)
  4. শিশুদের, ধাতুগত ভাবে বোকে সর্দি ও হাঁপানি – CHILDREN, constitutions, constitutional condition results in chest catarrhs and asthmatic complaints (1)
  5. বয়োজ্যেষ্ঠ্, ব্যাক্তির হাঁপানি – ELDERLY, people asthma (19)3 AMBR, 1 am-c, 1 ant-c, 1 ant-t, 3 ARS, 1 aur, 2 bar-c, 1 blatta, 1 camph, 2 carb-v, 1 caust, 1 chin, 1 kali-c, 1 lach, 1 teucr, 1 nat-s, 1 op, 1 sil, 1 sulph
  6. বয়োজ্যেষ্ঠ্, ব্যাক্তির হাঁপানি সর্দি – ELDERLY, people asthma colds (1)
  7. বয়োজ্যেষ্ঠ্, ব্যাক্তির হাঁপানি কাশি, তার সহিত সুড়সুড় বোধ – ELDERLY, people asthma cough, with tickling (1)
  8. বয়োজ্যেষ্ঠ্, ব্যাক্তির হাঁপানিতে ফুসফুস পক্ষাঘাতে আক্রান্ত, এটি নিউমোনিয়ার প্রথম পর্যায় – ELDERLY, people asthma lungs, threatened paralysis of, at an early stage of pneumonia (1)
  9. বয়োজ্যেষ্ঠ্, ব্যাক্তির হাঁপানি, যখন যৌন আকাংখা নিয়ে কারো নিকটে যায় – ELDERLY, people asthma sex, when attempting, man (1)
  10. সন্ধিবাত, ধাতুগত ভাবে, তার সহিত পর্যায়ক্রমে হাঁপানি – GOUTY, constitutions alternates with, asthma (1)
  11. সন্ধিবাত, ধাতুগত ভাবে, তার সহিত পর্যায়ক্রমে হাঁপানি, কপালে ব্যাথা – GOUTY, constitutions alternates with, asthma with, pain in forehead (1)
  12. হিস্টিরিয়া রোগীর, ধাতুগত হাঁপানি, হৃদস্পন্ধন, ডিসনিয়া, মানুষিক অবসাদ এবং হজমে গন্ডগোল – HYSTERICAL, constitutions asthma, palpitation, dyspnoea, prostration, and digestive troubles (1)
  13. হিস্টিরিয়া রোগীর, ধাতুগত আক্ষেপিক হাঁপানি, স্বপনে উৎকন্ঠা, এমন অনুভূতি যেন বস্ত্রাবৃত ছিল – HYSTERICAL, constitutions spasmodic asthma, caused by anxious dreams, sensation as if clothing were (1)
  14. বিষন্ন প্রকৃতির, ধাতুগত ব্যাক্তির আক্ষেপিক হাঁপানি, স্বপনে উৎকন্ঠা, এমন অনুভূতি যেন বস্ত্রাবৃত ছিল – MELANCHOLIC, constitutions asthma, spasmodic, caused by anxious dreams, sensation as if clothing wer (1)
  15. পেশাদার, খনির শ্রমিকদের, হাঁপানি, কয়লাধুলোরমধ্যেশ্বাস গ্রহনদ্বারাসৃষ্ট – OCCUPATIONS, miners, asthma, produced by inhalation of coal dust (1)
  16. পেশাদার, নাবিকদের হাঁপানি, যখন তারা তীরে আসে – OCCUPATIONS, sailors, asthma, on going ashore (1)
  17. রক্তবর্ণ,ধাতুগত ব্যাক্তির, হাঁপানি, যেন জীবনের সাথে মিসে আছে – SANGUINE, constitutions asthma, in lively subjects (1)
  18. সাপ্তাহিক, রোগাগ্রস্থ, ধাতুগত ব্যাক্তির, হাঁপানি – WEAKLY, sickly, constitutions asthma (2) যুবক ব্যাক্তির হাঁপানি, সাধারনত আবহাওয়ার সামান্ন পরিবর্তনে ব্রংকিয়াল সর্দিতে আক্রান্ত হয় – YOUNG people asthma, from a general, bronchial catarrh, afterwards with every change of weather (1)

Murphy Lungs

  1. হাঁপানি – ASTHMA, (188)2 acon, 2 agar, 1 all-c, 1 aloe, 1 alum, 1 alumn, 3 AMBR, 2 am-c, 1 aml-n, 1 anac, 1 ant-ar, 1 ant-c, 2 ant-t, 2 apis, 1 aral, 3 ARG-N, 1 arn, 3 ARS, 3 ARS-I, 1 arum-t, 2 asaf, 1 asar, 1 asc-t, 1 atro, 2 aur, 1 bac, 2 bar-c, 1 bar-m, 2 bell, 3 BLATTA, 2 bov, 2 brom, 2 bry, 2 cact, 2 calad, 2 calc, 1 camph, 1 cann-i, 2 cann-s, 2 caps, 1 carb-an, 1 carbn-s, 2 carb-v, 3 CARC, 1 card-m, 1 caust, 1 cham, 1 chel, 2 chin, 2 chin-ar, 2 chlol, 1 chlor, 2 cic, 1 cina, 1 cist, 2 coca, 1 cocain, 1 cocc, 1 coc-c, 2 coff, 2 colch, 1 coloc, 2 con, 1 croc, 2 crot-h, 1 croto-t, 3 CUPR, 2 cupr-acet, 1 cupr-ar, 1 daph, 2 dig, 2 dros, 2 dulc, 2 euph, 1 eup-per, 2 ferr, 2 ferr-ar, 1 ferr-i, 1 ferr-p, 1 gall-ac, 2 gels, 1 glon, 2 graph, 1 grat, 1 grin, 2 hep, 2 hippoz, 1 hydr-ac, 1 hyos, 1 ictod, 2 ign, 2 iod, 3 IP, 3 KALI-AR, 2 kali-bi, 2 kali-br, 3 KALI-C, 2 kali-chl, 2 kali-i, 3 KALI-N, 2 kali-p, 2 kali-s, 1 lac-d, 2 lach, 1 lact, 2 laur, 2 led, 1 lem-m, 3 LOB, 2 lyc, 1 magn-gr, 1 manc, 2 med, 1 meny, 2 meph, 1 merc, 1 merc-i-r, 1 mez, 1 morph, 2 mosch, 2 naja, 2 naphtin, 1 nat-ar, 1 nat-c, 2 nat-m, 1 nat-p, 3 NAT-S, 2 nit-ac, 1 nux-m, 2 nux-v, 1 ol-an, 2 op, 1 par, 1 petr, 1 phel, 2 phos, 2 phyt, 1 plat, 1 plb, 1 podo, 2 psor, 1 ptel, 3 PULS, 1 queb, 1 ran-s, 1 raph, 1 rhod, 1 rumx, 2 ruta, 1 sabad, 1 sabin, 3 SAMB, 2 sang, 1 sars, 1 scroph-n, 1 sec, 1 sel, 2 seneg, 2 sep, 3 SIL, 1 sin-n, 1 spig, 3 SPONG, 1 squil, 2 stann, 2 still, 3 STRAM, 1 stront-c, 1 stry, 3 SULPH, 2 sul-ac, 1 syph, 1 syc-co, 1 tab, 1 tela, 1 ter, 2 thuj, 1 tub, 1 vario, 2 verat, 1 verat-v, 1 viol-o, 1 viol-t, 3 VISC, 1 xan, 1 zinc, 1 zinc-m, 2 zing
  2. হাঁপানি – বায়ু প্রবাহে বৃদ্ধি- ASTHMA, air, draft of, agg. (4)
  3. হাঁপানি – পাহাড়ি বায়ু প্রবাহে উপশম – ASTHMA, air, draft of, agg. mountain, air amel. (2)
  4. হাঁপানি – খোলা বায়ু প্রবাহে উপশম – ASTHMA, air, draft of, agg. open, amel. (4)
  5. হাঁপানি – সামুদ্রিক বায়ু প্রবাহে উপশম – ASTHMA, air, draft of, agg. sea air, amel. (2)
  6. হাঁপানি – মদ্যপায়ীদের – ASTHMA, alcoholics (2)
  7. হাঁপানি – এলার্জিক হাঁপানি, তার সহিত হেফিভার – ASTHMA, allergic, hay fever, with (37)
  8. হাঁপানি – এলার্জিক হাঁপানি, তার সহিত হেফিভার ও হাঁচি – ASTHMA, allergic, hay fever, with sneezing, with (11)
  9. হাঁপানি, উচ্চস্থানে – ASTHMA, altitude, from (4)
  10. হাঁপানি, তার সহিত পর্যায়ক্রমে উদ্ভেদ – ASTHMA, alternating, with eruptions (15)
  11. হাঁপানি, তার সহিত পর্যায়ক্রমে উদরাময়, রাত্রিকালিন – ASTHMA, alternating, with diarrhea, nocturnal (1)
  12. হাঁপানি, তার সহিত পর্যায়ক্রমে গেঁটেবাত – ASTHMA, alternating, with gout (3)
  13. হাঁপানি, তার সহিত পর্যায়ক্রমে মাথাব্যাথা – ASTHMA, alternating, with headache (3)
  14. হাঁপানি, তার সহিত পর্যায়ক্রমে আমবাত – ASTHMA, alternating, with urticaria (1)
  15. হাঁপানি, তার সহিত পর্যায়ক্রমে আক্ষেপিক বমি – ASTHMA, alternating, with vomiting, spasmodic (2)
  16. হাঁপানি, রাগান্বিত হওয়ার পর – ASTHMA, anger, after (6)
  17. হাঁপানি, তার সহিত উৎকন্ঠা – ASTHMA, anxiety, with (4)
  18. হাঁপানি, শরৎকালিন – ASTHMA, autumn (1)
  19. হাঁপানি, উদ্গারে উপশম – ASTHMA, belching, amel. (2)
  20. হাঁপানি, মাথা পিছনের দিকে বাকালে উপশম – ASTHMA, bending, head backwards amel. (3)
  21. হাঁপানি, সামনের দিকে মাথা দোলায় – ASTHMA, bending, head backwards amel. forwards, rocking (1)
  22. হাঁপানি, তার সহিত ব্রঙ্কিয়াল শ্লেষ্মা – ASTHMA, bronchial catarrh, with (18)
  23. হাঁপানি, তার সহিত গলা ও বুক জ্বালা – ASTHMA, burning, in throat and chest, with (1)
  24. হাঁপানি, আবহাওয়া পরিবর্তনে – ASTHMA, change, of weather (3)
  25. হাঁপানি, শিশুদের টিকা দেওয়ার পর – ASTHMA, children vaccination, after (4)
  26. হাঁপানি, ঠান্ডা বাতাসে বৃদ্ধি – ASTHMA, cold, air agg. (5)
  27. হাঁপানি, টিকা দেওয়ার পর ঠান্ডা বাতাসে উপশম – ASTHMA, cold, air agg. vaccination, after amel. (4)
  28. হাঁপানি, স্যাতসেতে আবহাওয়ার ঠান্ডা বাতাসে বৃদ্ধি – ASTHMA, cold, air agg. damp, weather (4)
  29. হাঁপানি, শুষ্ক আবহাওয়ার ঠান্ডা বাতাসে বৃদ্ধি – ASTHMA, cold, air agg. dry weather (3)
  30. হাঁপানি, ঠান্ডা পানিতে বৃদ্ধি – ASTHMA, cold, air agg. water, agg. (1)
  31. হাঁপানি, ঠান্ডা পানিতে উপশম – ASTHMA, cold, air agg. water, agg. amel. (1)
  32. হাঁপানি, ঠান্ডা প্রয়োগে – ASTHMA, cold, taking, from (12)
  33. হাঁপানি, গরম লাগা অবস্থায় ঠান্ডা প্রয়োগে – ASTHMA, cold, taking, from heated, when (1)
  34. হাঁপানি, গ্রীষ্ম কালে ঠান্ডা প্রয়োগে – ASTHMA, cold, taking, from summer, in (1)
  35. হাঁপানি, ধাতুগত – ASTHMA, constitutionally (8)
  36. হাঁপানি, তার সহিত গলদেশের সংকোচন – ASTHMA, constriction in throat, with (7)
  37. হাঁপানি, তার সহিত সর্দি – ASTHMA, coryza, with (8)
  38. হাঁপানি, সর্দির পর, গ্রীষ্ম কালে – ASTHMA, coryza, with after, summer in (2)
  39. হাঁপানি, হওয়ার পূর্বে সর্দি লাগে – ASTHMA, coryza, with preceded by (6)
  40. হাঁপানি, এজমাটিক কাশি – ASTHMA, coughing, asthmatic (102)
  41. হাঁপানি, এজমাটিক কাশিতে বৃদ্ধি – ASTHMA, coughing, asthmatic agg. (1)
  42. হাঁপানি, এজমাটিক কাশির পর – ASTHMA, coughing, asthmatic after (1)
  43. হাঁপানি, খালধরা, হাপানির সহিত শরীরের বিভিন্ন স্থানের পেশিতে আক্ষেপ – ASTHMA, cramp, muscular spasm of various parts, with (1)
  44. হাঁপানি, তার সহিত নীলকৃষ্ণ রোগ – ASTHMA, cyanosis, with (4)
  45. হাঁপানি, স্যাতসেতে পরিবেশে – ASTHMA, dampness, from (6)
  46. হাঁপানি, নিরাশ হয়ে পরে, তার সহিত চিন্তা করতে থাকে যেন সে মারা যাবে – ASTHMA, despondency, thinks she will die, with (2)
  47. হাঁপানি, তার সহিত উদরাময় – ASTHMA, diarrhea following, with (1)
  48. হাঁপানি, হজমে গন্ডগোলের পর – ASTHMA, digestion disturbed, after (12)
  49. হাঁপানি, দুপুরের খাবারের পর – ASTHMA, dinner, after (1)
  50. হাঁপানি, শুষ্ক আবহাওয়ায় বৃদ্ধি – ASTHMA, dry weather, agg. (2)
  51. হাঁপানি, ধুলাবালি শ্বাসে গ্রহনের ফলে – ASTHMA, dust, from inhaling (8)
  52. হাঁপানি, খাবার খাওয়ার পর – ASTHMA, eating, after (3)
  53. হাঁপানি, খাবার খাওয়ার পর উপশম – ASTHMA, eating, after amel. (2)
  54. হাঁপানি, উদর পূর্ন করে খাবার খাওয়ার পর বৃদ্ধি – ASTHMA, eating, after satisfying, agg. (1)
  55. হাঁপানি, বয়োজ্যেষ্ঠ, ব্যাক্তির – ASTHMA, elderly, people, in (10)
  56. হাঁপানি, আবেগ অনুভূতির পর – ASTHMA, emotions, after (12)
  57. হাঁপানি, জিহ্বার গোঁড়ার দিকে, আক্ষেপ বা দুর্বলতা – ASTHMA, epiglottis, spasms or weakness of (1)
  58. হাঁপানি, উদ্ভেদ, চাপাপড়ার পর – ASTHMA, eruptions, after suppressed (12)
  59. হাঁপানি, সন্ধা কালে – ASTHMA, evening (9)
  60. হাঁপানি, সন্ধা কালে বিছানায় থাকা অবস্থায় – ASTHMA, evening bed, in (3)
  61. হাঁপানি, পরিশ্রম করা হতে – ASTHMA, exertion, from (4)
  62. হাঁপানি, শুয়ে থাকার পর পরিশ্রম করা হতে – ASTHMA, exertion, from lying down, after (12)
  63. হাঁপানি, রাত ৯ টায় পরিশ্রম করা হতে – ASTHMA, exertion, from night, 9 p.m. (1)
  64. হাঁপানি, উত্তেজনায় – ASTHMA, excitement (23)
  65. হাঁপানি, শ্লেষ্মা উঠলে, উপশম – ASTHMA, expectoration, amel. (11)
  66. হাঁপানি, মুখমণ্ডলের কুশ্রী বিখাউজ উপশম হওয়ার পরে হাঁপানি – ASTHMA, faceache, with, after disappearance of tetter on face (1)
  67. হাঁপানি, পেট ফাঁপা হতে – ASTHMA, flatulence, from (10)
  68. হাঁপানি, কুয়াশায় বৃদ্ধি – ASTHMA, fog, agg. (1)
  69. হাঁপানি, সুড়সুড়ি বোধ, হাঁপানির অনতিপূর্বে – ASTHMA, formication, preceded by (2)
  70. হাঁপানি, ভয় পাওয়ার পর – ASTHMA, fright, after (3)
  71. হাঁপানি, তার সহিত পাকস্থলী সংক্রান্ত বিকলতা – ASTHMA, gastric derangements, with (12)
  72. হাঁপানি, তার সহিত গলগন্ড – ASTHMA, goitre, with (1)
  73. হাঁপানি, গনোরিয়া চাপাপড়া হতে – ASTHMA, gonorrhea, from suppressed (2)
  74. হাঁপানি, সন্ধিবাত, বাতজ্বরের সহিত – ASTHMA, gout, rheumatism, with (3)
  75. হাঁপানি, মস্তক হাটুর নিকটে নিয়ে আসে – ASTHMA, head, on knee position (1)
  76. হাঁপানি, তার সহিত হৃৎপিন্ডের সমস্যা – ASTHMA, heart, problems, with (37)
  77. হাঁপানি, তার সহিত হৃৎপিন্ডের মেদাপকর্ষ – ASTHMA, heart, problems, with fatty degeneration of, from (2)
  78. হাঁপানি, উত্তাপে বৃদ্ধি – ASTHMA, heat, agg. (2)
  79. হাঁপানি, তার সহিত অর্শ – ASTHMA, hemorrhoids, with (2)
  80. হাঁপানি, লাল লাল দাগ ও চুলকানি যুক্ত চর্মরোগ হতে – ASTHMA, hives, from (2)
  81. হাঁপানি, ঘোড়ার নিকটে গেলে – ASTHMA, horse, coming in contact with (1)
  82. হাঁপানি, সেঁতসেঁতে স্থানে – ASTHMA, humid (19)
  83. হাঁপানি, সেঁতসেঁতে স্থানে শিশুদের – ASTHMA, humid children, in (3)
  84. হাঁপানি, তার সহিত হাইড্রোথোরাক্স – ASTHMA, hydrothorax, with (1)
  85. হাঁপানি, হিস্টিরিয়া রোগীদের – ASTHMA, hysterical (12)
  86. হাঁপানি মৃগীরোগের প্রকোপ শেষ হতেই হাঁপানি – ASTHMA, hysterical tears, flow of, ending in (1)
  87. হাঁপানি, মেরুদন্ডে আঘাত পাওয়ার পর – ASTHMA, injury, of spine, after (2)
  88. হাঁপানি, তার সহিত অনিদ্রা – ASTHMA, insomnia, with (2)
  89. হাঁপানি, তার সহিত সবিরাম জ্বর – ASTHMA, intermittent, fever, with (1)
  90. হাঁপানি, তার সহিত চুলকানি – ASTHMA, itching, with (5)
  91. হাঁপানি, হাসলে বৃদ্ধি – ASTHMA, laughing, agg. (1)
  92. হাঁপানি, পিছন দিকে হেলান দিলে – ASTHMA, leaning, backwards (1)
  93. হাঁপানি, প্রতিবার পরিতৃপ্ত আহার করার পর – ASTHMA, meal, after every satisfying (1)
  94. হাঁপানি, হামের পর – ASTHMA, measles, after (2)
  95. হাঁপানি, ঋতুস্রাব অবস্থায় – ASTHMA, menses, during (1)
  96. হাঁপানি, ঋতুস্রাব দমন করার পর – ASTHMA, menses, during after suppression of (2)
  97. হাঁপানি, ঋতুস্রাবের পুর্বে – ASTHMA, menses, during before (1)
  98. হাঁপানি, ঋতুস্রাব অবস্থায় দম ফুঁড়িয়ে যাওয়া – ASTHMA, menses, during scanty (1)
  99. হাঁপানি, হাঁচি, ঋতুস্রাব অবস্থায় নিদ্রা হতে জাগ্রত হলে – ASTHMA, menses, during seizures, in, awaking him during sleep (4)
  100. হাঁপানি, ঋতুস্রাব অবস্থায় নিদ্রা হতে জাগ্রত হলে – ASTHMA, menses, during waking from sleep (4)
  101. হাঁপানি, মানুষিক পরিশ্রমে – ASTHMA, mental, exertion (1)
  102. হাঁপানি, পারদ সেবনের পর – ASTHMA, mercury, after (1)
  103. হাঁপানি, মধ্যরাত্রির পর – ASTHMA, midnight, after (8)
  104. হাঁপানি, মধ্যরাত্রির পর বিছানা হতে লাফ দিয়ে উঠে – ASTHMA, midnight, after must spring out of bed (3)
  105. হাঁপানি, খনি শ্রমিকদের হাঁপানি, কয়লার ধুলা হতে – ASTHMA, miner’s asthma, from coal dust (5)
  106. হাঁপানি, সেঁতসেঁতে ছত্রাকময় পরিবেশ হতে – ASTHMA, moldy, environment, from (4)
  107. হাঁপানি, সকালে – ASTHMA, morning (13)
  108. হাঁপানি, সকালে বিছানায় থাকা অবস্থায় – ASTHMA, morning bed, in (2)
  109. হাঁপানি, সকাল ১০ টায় – ASTHMA, morning 10 a.m. (1)
  110. হাঁপানি, সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা – ASTHMA, morning 10 a.m. 10 to 11 a.m. (1)
  111. হাঁপানি, সকালে তারাতারি জাগ্রত হয় – ASTHMA, morning waking, early (9)
  112. হাঁপানি, সকালে জাগ্রত হলে – ASTHMA, morning waking, on (3)
  113. হাঁপানি, সংগীতে বৃদ্ধি – ASTHMA, music, agg. (1)
  114. হাঁপানি, তার সহিত বমিভাব – ASTHMA, nausea, with (3)
  115. হাঁপানি, স্নায়ুবিক – ASTHMA, nervous (4)
  116. হাঁপানি, রাত্রে – ASTHMA, night (31)
  117. হাঁপানি, রাত্র ৯ টায় – ASTHMA, night 9 p.m. (1)
  118. হাঁপানি, রাত ১০ টায় – ASTHMA, night 10 p.m. (1)
  119. হাঁপানি, রাত ১০ টা ১১ টায় যখন প্রস্রাব করে – ASTHMA, night 10 p.m. 11 p.m. when urinating (1)
  120. হাঁপানি, ১১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত – ASTHMA, night 10 p.m. 11 p.m. to 2 a.m. (2)
  121. হাঁপানি, রাত ২ টায় – ASTHMA, night 2 a.m. (4)
  122. হাঁপানি, ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত – ASTHMA, night 2 a.m. 2 to 3 a.m. (2)
  123. হাঁপানি, ২ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত – ASTHMA, night 2 a.m. 2 a.m. to 4 a.m. (2)
  124. হাঁপানি, রাত ৩ টায় – ASTHMA, night 3 a.m. (5)
  125. হাঁপানি, ৪ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত – ASTHMA, night 4 to 5 a.m. (3)
  126. হাঁপানি, রাত ৫ টায় – ASTHMA, night 5 a.m. (2)
  127. হাঁপানি, দুপুরে – ASTHMA, noon (1)
  128. হাঁপানি, গন্ধ হতে – ASTHMA, odors, from (2)
  129. হাঁপানি, তার সহিত বক্ষস্পন্ধন – ASTHMA, palpitations, with (5)
  130. হাঁপানি, স্ববিরাম – ASTHMA, periodic (18)
  131. হাঁপানি, প্রতি ৮ দিন পর পর – ASTHMA, periodic every 8 days (3)
  132. হাঁপানি, তরুন ফুস্কুরি চাপা পড়ার পর – ASTHMA, rash, after suppression of acute (4) হাঁপানি সাম্প্রতিক ও হালকা প্রকৃতির – ASTHMA, recent, uncomplicated cases (2)
  133. হাঁপানি, তার সহিত বাতরোগ – ASTHMA, rheumatism, with (3)
  134. হাঁপানি, তার সহিত গেঁটে বাতের অভিযোগ – ASTHMA, rheumatism, with rheumatic-gouty complaints, with (1)
  135. হাঁপানি, অশ্বারোহনে বৃদ্ধি – ASTHMA, riding, agg. (1)
  136. হাঁপানি, দোল খেলে উপশম – ASTHMA, rocking, amel. (1)
  137. হাঁপানি গোলাপ ফুলের ঘ্রান নিয়ে সর্দি লেগে – ASTHMA, rose cold, following (1)
  138. হাঁপানি, নাবিকগন, তীরে আসার সাথে সাথে – ASTHMA, sailors, as soon as they go ashore (1)
  139. হাঁপানি, সমুদ্রতীরে উপশম – ASTHMA, seashore, amel. (1)
  140. হাঁপানি, যৌনক্রিয়া কালে – ASTHMA, sex, during (2)
  141. হাঁপানি, যৌনক্রিয়ার পরে – ASTHMA, sex, during after (3)
  142. হাঁপানি, তার সহিত যৌন উদ্দিপনা – ASTHMA, sexual excitation, with (1)
  143. হাঁপানি, নিদ্রার, সময় আসলে – ASTHMA, sleep, coming on during (11)
  144. হাঁপানি, নিদ্রার, পরে – ASTHMA, sleep, coming on during after (4)
  145. হাঁপানি, নিদ্রিতাবস্থায় নিদ্রা ভঙ্গ হয়ে – ASTHMA, sleep, coming on during falling asleep, after (5)
  146. হাঁপানি, বিছানায় উঠে বসতে বাধ্য হয় – ASTHMA, sit up, must, in bed (1)
  147. হাঁপানি, তার সহিত চর্মরোগ – ASTHMA, skin disease, with (2)
  148. হাঁপানি, ধুমপান হতে – ASTHMA, smoking, from (4)
  149. হাঁপানি, ধূমপানে উপশম – ASTHMA, smoking, from amel. (1)
  150. হাঁপানি, আকস্মিক আক্ষেপিক – ASTHMA, spasmodic (58)
  151. হাঁপানি, বসন্ত কালে – ASTHMA, spring, in (1)
  152. হাঁপানি, মলত্যাগে উপশম – ASTHMA, stool, amel. (1)
  153. হাঁপানি, হঠাৎ আক্রান্ত হয় – ASTHMA, sudden, attacks (3)
  154. হাঁপানি, শ্বাসরোধকর – ASTHMA, suffocative (5)
  155. হাঁপানি, গ্রীষ্মকালীন – ASTHMA, summer, in (3)
  156. হাঁপানি, গ্রীষ্মকালে উপশম – ASTHMA, summer, in amel. (1)
  157. হাঁপানি, পায়ের তালুর ঘাম চাপাপড়া হতে – ASTHMA, suppressed, foot sweat, from (2)
  158. হাঁপানি, চাপাপড়ায় – ASTHMA, suppression, from (1)
  159. হাঁপানি, চাপাপড়ায় – ASTHMA, sycotic (4)
  160. হাঁপানি, কথা বললে বৃদ্ধি – ASTHMA, talking, agg. (2)
  161. হাঁপানি, কথা বললে উপশম – ASTHMA, talking, agg. amel. (1)
  162. হাঁপানিতে আক্রান্ত হলে বিখাউজ চর্ম রোগ চলে যায় – ASTHMA, tetter recedes with attack (1)
  163. হাঁপানি, পিপাসা, বমিভাব, বুকে সুইফুটানোর মত এবং জালাকর বেদনা – ASTHMA, thirst, nausea, stitches and burning in chest, with (1)
  164. হাঁপানি, বজ্রঝড় অবস্থায় – ASTHMA, thunderstorm, during (4)
  165. হাঁপানি, যক্ষ্মারোগের, সহিত – ASTHMA, tuberculosis, with (1)
  166. হাঁপানি, মুত্রবিকার জনিত – ASTHMA, uremia, with (1)
  167. হাঁপানি, প্রশ্রাব করার সময় – ASTHMA, urinating, while (1)
  168. হাঁপানি, তার সহিত বেদনা যুক্ত রাত্রিকালিন প্রশ্রাব – ASTHMA, urination, painful at night, with (1)
  169. হাঁপানি, তার সহিত প্রস্রাবের সাথে ঘন ও শক্ত পদার্থ নির্গত হয় – ASTHMA, urine supersaturated with solids, with (1)
  170. হাঁপানি, টিকা নেওয়ার পর – ASTHMA, vaccination, after (3)
  171. হাঁপানি, হয়রানি-পরিশ্রম, হতে – ASTHMA, vexation, from (1)
  172. হাঁপানি, তার সহিত শীরোঘুর্নন – ASTHMA, vertigo, with (1)
  173. হাঁপানি, তার সহিত বমি – ASTHMA, vomiting, with (3)
  174. হাঁপানি, বমি হলে উপশম – ASTHMA, vomiting, with amel. (1)
  175. হাঁপানি, উষ্ণ খাবারে বৃদ্ধি – ASTHMA, warm, food agg. (2)
  176. হাঁপানি, উষ্ণ ঘরে বৃদ্ধি – ASTHMA, warm, food agg. room agg. (3)
  177. হাঁপানি, উষ্ণ, ঘরের খোলা বাতস হতে – ASTHMA, warm, food agg. room from the open air (2)
  178. হাঁপানি, পানি, পরিবর্তনে বৃদ্ধি – ASTHMA, weather, change of agg. (5)
  179. হাঁপানি, ভেজা, আবহাওয়ায় – ASTHMA, wet, weather, in (9)
  180. হাঁপানি, ভেজা, উষ্ণ, আবহাওয়ায় – ASTHMA, wet, weather, in warm, wet weather (3)
  181. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী – ASTHMA, wheezing (73)
  182. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, বিকালে – ASTHMA, wheezing afternoon (1)
  183. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, দিনের বেলা – ASTHMA, wheezing daytime (1)
  184. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, সন্ধ্যা কালে – ASTHMA, wheezing evening (2)
  185. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, সন্ধ্যা কালে বিছানায় – ASTHMA, wheezing evening bed, in (1)
  186. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, সন্ধায় শয়ন কালে – ASTHMA, wheezing evening lying down, on (1)
  187. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, শ্লেষ্মা নির্গমনে উপশম – ASTHMA, wheezing expectoration amel. (1)
  188. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, শ্বাসত্যাগ কালে – ASTHMA, wheezing expiring, when (3)
  189. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, শ্বাসগ্রহন কালে – ASTHMA, wheezing inspiring, while (5)
  190. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, মধ্যরাত্রির পর – ASTHMA, wheezing midnight, after (2)
  191. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, রাত্রি কালে – ASTHMA, wheezing night (2)
  192. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, বসা অবস্থায় – ASTHMA, wheezing sitting up, while (1)
  193. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, নিদ্রাবস্থায় – ASTHMA, wheezing sleep, during (1)
  194. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, ধুমপানে – ASTHMA, wheezing smoking, on (2)
  195. হাঁপানি, সাঁই সাঁই শব্দকারী, উষ্ণ ঘড়ে – ASTHMA, wheezing warm room (1)
  196. হাঁপানি, হুপিং কাশি, হতে – ASTHMA, whooping, cough, from (1)
  197. হাঁপানি, বাতাসের, প্রতিকুলে হাটলে – ASTHMA, wind, walking against (1)
  198. হাঁপানি, বায়ুময় আবহাওয়ায় – ASTHMA, windy, weather (1)
  199. হাঁপানি, শীতকালীন, আক্রমন – ASTHMA, winter, attacks (4)

Murphy Arms

  1. বর্নবিকৃতি, বাহু নিল, তার সহিত হাঁপানি – DISCOLORATION, blue asthma, with (1)
  2. উদ্ভেদ, পর্যায়ক্রমে হাঁপানি ও অগ্রবাহুতে ব্রনের মত উদ্ভেদ – ERUPTIONS, forearms pimples alternating with asthma (1)
  3. উদ্ভেদ, পর্যায়ক্রমে হাঁপানি ও অগ্রবাহুতে ছোট ছোট লাল ফুস্কুড়ি – ERUPTIONS, forearms rash rash, alternating with asthma (1)
  4. ফুস্কুড়ির সহিত পর্যায়ক্রমে হাঁপানি – RASH alternating with asthma (2)

Murphy Chest

  1. সংকোচন হাঁপানিসংক্রান্ত – CONSTRICTION asthmatic (10) 1 ang, 1 ars, 3 CACT, 1 coff, 2 led, 2 lob, 1 mez, 1 naja, 1 nux-v, 1 sulph
  2. ফুলা, শোথ, তার সহিত হাঁপানি – EDEMA, dropsy asthma, with (1)
  3. ফুস্কুড়ির সহিত পর্যায়ক্রমে হাঁপানি – RASH alternating with asthma (1)

Murphy Children

  1. হাঁপানি, শিশুদের – ASTHMA, children (29)2 acon, 1 ambr, 3 ANT-T, 3 ARS, 2 carc, 3 CHAM, 3 IP, 1 kali-ar, 1 kali-br, 1 kali-c, 1 kali-i, 3 KALI-N, 3 KALI-S, 1 lob, 3 MED, 2 mosch, 3 NAT-S, 1 nux-v, 1 psor, 3 PHOS, 3 PULS, 3 SAMB, 1 sanic, 2 sil, 1 stram, 1 sulph, 2 thuj, 3 TUB, 1 vib
  2. হাঁপানি, শিশুদের, টিকা দেওয়ার পর – ASTHMA, children vaccination, after (3)

Murphy Diseases

  1. হাঁপানি- ASTHMA, (188)
  2. এলার্জির, প্রতিক্রিয়ায় হাঁপানি – ALLERGIC, reactions asthma (25)
  3. এলার্জির, প্রতিক্রিয়ায় হাঁপানি তার সহিত হাঁচি – ALLERGIC, reactions asthma sneezing, with (11)
  4. হাঁপানি, এলার্জি, তার সহিত হেফিভার – ASTHMA, allergic, hay fever, with (37)
  5. হাঁপানি, এলার্জি, তার সহিত হেফিভার ও হাঁচি – ASTHMA, allergic, hay fever, with sneezing, with (11)
  6. হাঁপানি, তার সহিত ব্রংকিয়াল সর্দি – ASTHMA, bronchial catarrh, with (18)
  7. হাঁপানি, শিশুদের – ASTHMA, children (29)
  8. হাঁপানি, শিশুদের টিকা দেওয়ার পর – ASTHMA, children vaccination, after (4)
  9. শোথ বাহ্যিক ভাবে, হাঁপানি, তার সহিত আক্ষেপ, শিশুদের – EDEMA, general, external, asthma, with spasmodic, of children (1)
  10. শীর্ন, দেহ, হাঁপানি রোগীর – EMACIATION, body asthma, in (1)
  11. গলগণ্ড, থাইরইড গ্লান্ডের, তার কারনে হাঁপানি – GOITRE, thyroid asthma, causes (1)
  12. ভালো সাস্থ্য থাকে হাঁপানি আক্রমনের পুর্বে – GOOD health before paroxysms alternates with asthma (1)
  13. হেফিভার, তার সহিত হাঁপানিসংক্রান্তশ্বাস – HAY fever, asthmatic breathing, with (24)
  14. টিকা দেওয়ায়, অসুস্থ্যতা, হাঁপানি আক্রমনের পরে – VACCINATIONS, ailments, after asthma, after (4)

Murphy Emergency

  1. এলার্জির, প্রতিক্রিয়ায় হাঁপানি- ALLERGIC, reactions asthma (25)
  2. এলার্জির, প্রতিক্রিয়ায় হাঁপানি তার সহিত হাঁচি – ALLERGIC, reactions asthma sneezing, with (10)

Murphy Face

  1. বর্নবিকৃতি, নিল বর্ন, হাঁপানির প্রভাবে – DISCOLORATION, bluish asthma, in (3)
  2. ঝাকি দিয়ে উঠা, মুখমন্ডল , হাঁপানির পুর্বে – TWITCHING, facial asthma, before (1)

Murphy Female

  1. ঋতুস্রাব চপাপড়া, তার সহিত হাঁপানি – MENSES, suppressed, asthma, with (2)

Murphy Fever

  1. সবিরাম জ্বরের সহিত হাঁপানি, প্রতিবৎসর হয় – INTERMITTENT fever asthma, with, for a year (1)

Murphy Glands

  1. থাইরইড গ্লান্ডের, গলগণ্ড, তার কারনে হাঁপানি – THYROID, gland, goitre asthma, causes (1)
  2. প্লীহা, বড় হয় হাঁপানি অবস্থায় – SPLEEN, general enlarged asthma, in (1)

Murphy Headache

  1. মাথা ব্যাথার সহিত পর্যায়ক্রমে হাঁপানি – ALTERNATING, with, asthma (3)

Murphy Heart

  1. হৃত্স্পন্দন, ক্ষীণ, হতাসার পর, তার সহিত হাঁপানিতে আক্রান্ত হয় – HEARTBEATS, feeble, after disappointment of affections asthma, with (1)
  2. হৃত্স্পন্দন, জোরে হয় হাঁপানি অবস্থায় – HEARTBEATS, strong asthma, in (1)
  3. হৃত্স্পন্দন, অত্যধিক হাঁপানি অবস্থায় – HEARTBEATS, violent asthma, in (1)

Murphy Joints

  1. দংশন করার মত, বেদনা, তার সহিত পর্যায়ক্রমে হাঁপানি – GNAWING, pain alternates with asthma (1)

Murphy Liver

  1. রক্ত সঞ্চয়, তার সহিত হাঁপানি – CONGESTION, asthma, with (1)
  2. স্থানচ্যুত, কলিজা, হাঁপানি অবস্থায় – DISPLACED, liver asthma, in (1)
  3. কলিজা বড় হয় হাঁপানি অবস্থায়, এমফেসিমেটাস, এমন অনুভূতি হতে পারে যে তার কলিজা নিচের রিব পর্যন্ত নেমেছে – ENLARGED asthma, in emphysematous, can be felt below ribs, (1)

Murphy Mouth

  1. শ্বাস-প্রশ্বাসে, মুখে, নোনা মাছের গন্ধ, হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বে – BREATH, mouth, odor fish brine, before asthma attack (1)
  2. লালাস্রাব, হাঁপানির সময় – SALIVATION, asthma, in (1)

Murphy Nerves

  1. মুর্ছাকল্পতা, হাঁপানি হতে – FAINTING, faintness, asthma, from (6)

Murphy Nose

  1. সর্দি, হাঁপানির ন্যায়, শ্বাস-প্রশ্বাসের সহিত – CORYZA, asthmatic, breathing, with (18)
  2. সর্দি, পুরাতন, যার ফলে দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি – CORYZA, chronic, long-continued asthma, causing (3)
  3. হেফিভার, হাঁপানির ন্যায়, শ্বাস-প্রশ্বাসের সহিত – HAY fever asthmatic breathing, with (24)
  4. হাঁচি, এলার্জিক হাঁপানি, তার সহিত হেফিভার – SNEEZING, general asthma, allergic, hay, with (11)

Murphy Pulse

  1. দ্রুত নাড়ি, হাঁপানি রোগে – FAST, pulse asthma, in (1)
  2. দ্রুত নাড়ি (১০০/মিনিট), হাঁপানি রোগে – FAST, pulse asthma, in 100 (1)
  3. দ্রুত নাড়ির, হাঁপানি রোগের সহিত হৃৎপিন্ডের পূর্নতা বা রক্তজমা – FAST, pulse asthma, in congestion to heart, with (1)
  4. দ্রুত নাড়ি মিলারিতে, হাঁপানি রোগে- FAST, pulse asthma, in millari (1)
  5. সবিরাম নাড়ি, হাঁপানির সময় থাইমাস গ্লান্ড রিজনে (স্টার্নাম বরাবর ভিতরে) থেমে থেমে নাড়ি স্পন্ধন – INTERMITTENT, pulse, beats asthma thymicum, in (1)
  6. অনিয়মিত, নাড়ি, হাঁপানির সময় থাইমাস গ্লান্ড রিজনে (স্টার্নাম বরাবর ভিতরে) অনিয়মিত নাড়ি স্পন্ধন – IRREGULAR, pulse asthma thymicum, in (1)
  7. ক্ষীণ নাড়ি মিলারিতে, হাঁপানি রোগে- SMALL, pulse asthma millari, in (2)
  8. আক্ষেপিক নাড়ি মিলারিতে, হাঁপানি রোগে- SPASMODIC, pulse asthma millari, in (1)

Murphy Skin

  1. উদ্ভেদ,পরিবর্তন হয়ে হাঁপানি – ERUPTIONS alternating with asthma (5)
  2. ফুসকুড়িতে, বুকে টান টান অনুভুতি পরিবর্তন হয়ে হাঁপানি – RASH, skin tightness of chest alternating with asthma (1)
  3. আমবাত, পরিবর্তন হয়ে হাঁপানি – URTICARIA, hives alternating with asthma (4)
  4. আমবাত, হাঁপানি অবস্থায় – URTICARIA, hives asthmatic, troubles, in (1)

Murphy Stomach

  1. উৎকন্ঠা, পাকস্থলিতে, হাঁপানি অবস্থায় – ANXIETY, in asthma, in (1)
  2. ঢেঁকুর-উদ্গার, হাঁপানির সহিত – BELCHING, general, asthma, with (1)
  3. হিক্কা, হাঁপানির শুরুতে – HICCOUGHS, general asthma, begins with (1)

Murphy Throat

  1. তীক্ষ্ণ বেদনা, হাঁপানির পূর্বে – SHARP, pain asthma, before (1)

Murphy Toxicity

  1. তামাকের, গন্ধে বৃদ্ধি, ধুমপানের পর হাঁপানি – TOBACCO, breathing, agg. after smoking asthma, after smoking (3)
  2. টিকা, দেওয়ার পর হাঁপানি – VACCINATIONS, asthma, after (4)

Murphy Urine

  1. সল্পমুত্রের, সহিত হাঁপানি – SCANTY asthma, with (1)
  2. সল্পমুত্রের,পুর্বে হাঁপানি – SCANTY asthma, with before (2)

লক্ষণ সমূহের তথ্য সূত্রঃ মার্ফি রেপার্টরি।

নোটঃ ঔষধের অপপ্রয়োগ হতে পারে, এ কারণে অনেক স্থানে ঔষধের নাম দেয়া হয়নি। ডাক্তার গন প্রদেয় ইংরেজি রুব্রিক দিয়ে রেপার্টরি থেকে ঔষধের নাম সমূহ খুঁজে পাবেন। যে ঔষধের নামের পার্শে ৩ লিখা আছে তা প্রথম গ্রেড, ২ হলে দ্বিতীয় গ্রেড, ১ হলে তৃতীয় গ্রেড এর ঔষধ বুঝতে হবে। বেরিকেট ( ) দেয়া স্থানের সংখ্যা, ঔষধ সংখ্যা হিসাবে বিবেচ্য।

বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি


বন্ধ্যত্ব (Infertility)

দুই বৎসর বা তার থেকে বেশি সময় চেষ্টা করার পড়েও গর্ভধারণে ব্যার্থ হলে তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বন্ধ্যত্ব বলে। ৮% দম্পতি বন্ধ্যত্বের শিকার হন। বন্ধ্যত্ব স্বামী বা স্ত্রী উভয়ের কারণে হতে পারে। বন্ধ্যত্ব দু ধরনের যথা:

  • প্রাথমিক বন্ধ্যত্ব (Primary infertility): বিবাহের পর সকল সুবিধা থাকা সত্ত্বেও কখনই গর্ভধারণ না হওয়াকে প্রাথমিক বন্ধ্যত্ব বলে।
  • পরবর্তী বা দ্বিতীয় পর্যায়ের বন্ধ্যত্ব (Secondary infertility): কোন মহিলা প্রথম বার গর্ভধারণের পর দ্বিতীয় বার আর যদি গর্ভধারণ করতে না পারে তবে তাকে পরবর্তী বা দ্বিতীয় পর্যায়ের বন্ধ্যত্ব বলে।

কারণ (Cause):

বন্ধ্যত্ব স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনের কারণে হতে পারে। কিন্তু আমাদের সমাজে অন্যায় ভাবে শুধুমাত্র স্ত্রীদেরকে দোষারোপ করা হয় এমন কি কোন কোন ক্ষেত্রে স্বামীকে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়েতে উৎসাহিত করা হয়।

 

ক) স্বামীর কারণে বন্ধ্যত্ব:

  • স্বামীর বীর্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শুক্রাণু না থাকলে।
  • মৃত শুক্রাণু বা শুক্রাণু বিহীন বীর্যের কারণে
  • একটি অণ্ডকোষ/লুপ্ত প্রায় অণ্ডকোষ/অণ্ডকোষ জন্মগত ভাবে না থাকলে।
  • অণ্ডকোষের প্রদাহ, মাম্পস বা গলা ফুলা রোগের প্রদাহের কারণে।
  • বিকৃত শুক্রাণু থাকলে।
  • যৌন ক্রিয়ায় অক্ষম হলে।
  • শুক্রাণু বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় তাপ ও পরিবেষ অণ্ড কোষে না থাকলে।
  • যৌনাঙ্গে যক্ষ্মা, গনোরিয়া প্রভৃতি রোগ থাকলে।

 

খ) স্ত্রীর কারণে বন্ধ্যত্ব:

  • যদি জরায়ুর আকার ছোট হয়।
  • ডিম্বাশয় যদি সঠিক ভাবে কাজ না করে।
  • মাসিকের গণ্ডগোল থাকলে।
  • বস্তি কোটরের প্রদাহ হলে।
  • বংশগত।
  • জরায়ুতে টিউমার হলে।
  • যক্ষ্মা গনোরিয়া ইত্যাদি রোগ হলে।

উল্লেখিত কারণগুলো ছাড়াও স্ত্রীর ডিম্ব ক্ষরণের সময় যৌনমিলন না হলে গর্ভধারণ হয় না।

রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষা (Diagnosis):

বন্ধ্যত্বের কারণ নির্ণয়ে প্রথমে স্বামীর বীর্য পরীক্ষা করে দেখতে হবে। এবং স্বামীর শারীরিক পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি কোন অসুবিধা ধরা না পড়ে তখন স্ত্রীকে পরীক্ষা করতে হবে। স্ত্রীর পরীক্ষাগুলো ব্যয়বহুল বিধায় প্রথমে স্বামীকে পরীক্ষা করা উচিত।

পরামর্শ (Consultation):

যদি কোন দম্পতির একবারেই সন্তান না হয় অথবা সন্তান হওয়ার পর দ্বিতীয় সন্তান কাঙ্ক্ষিত সময়ে না হয় তবে তাদেরকে নিন্মলিখিত পরামর্শ দেয়া উচিত:

  • স্বামী ও স্ত্রীকে আশ্বস্ত করে দুশ্চিন্তা কমাতে হবে (সব ঠিক থাকার পরেও শতকরা ২০ ভাগ দম্পতির ১ বছরে বাচ্চা নাও হতে পারে, শতকরা ১০ ভাগ দম্পতির ২ বছরে বাচ্চা নাও হতে পারে)।
  • স্ত্রীর ডিম্বক্ষরনের সময় অর্থাৎ মাসিক শুরুর ১১ তম দিন থেকে ১৮ তম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন সম্ভব না হলে ১ দিন পরে পরে স্বামীর সাথে মিলনের পরামর্শ দিতে হবে।
  • স্বামীর বা স্ত্রীর কোন জটিল রোগ বা যৌন রোগ থাকলে তার চিকিৎসা করাতে হবে। স্বামী বা স্ত্রীর ধূমপান, মদ্যপান, যে কোন নেশা গ্রহণ, একনাগাড়ে দীর্ঘদিন এন্টিহিস্টামিন খাওয়া বর্জন করতে হবে। অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ওজন থাকলে কমাতে হবে।

 

চিকিৎসা, লক্ষণ ও তার রেপার্টরি রুব্রিকঃ (পুর্নাঙ্গ ভাবে রোগ আরোগ্য করা হোমিওপ্যাথির বলিষ্ঠ দাবি)

হোমিওপ্যাথিতে বন্ধাত্ব রোগের চিকিৎসার জন্য নিচে দেয়া ২২ টি লক্ষণ ও তার রেপার্টরি রুব্রিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি লক্ষণের আলাদা আলাদা ঔষধ হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে। যারা চিকিৎসা নিতে চান তারা এ লক্ষণ সমূহের সাথে কোনটা আপনার রোগের সাথে মিলে তা ডাক্তারকে স্পষ্ট করে জানালে চিকিৎসা পেতে সহজ হবে।

Murphy – Female

  1. বন্ধ্যাত্ব – INFERTILITY (79) ঔষধ – 2 agn, 2 alet, 1 alum, 2 am-c, 1 anag, 1 anan, 1 apis, 3 AUR, 2 aur-i, 1 aur-m, 1 aur-m-n, 1 bar-c, 2 bar-m, 3 BOR, 1 brom, 2 calc, 1 calc-i, 1 cann-i, 1 cann-s, 2 canth, 1 caps, 1 carbn-s, 2 caul, 1 caust, 1 cic, 1 cocc, 2 coff, 2 con, 1 croc, 1 dam, 1 dulc, 2 eup-pur, 2 ferr, 2 ferr-p, 2 fil, 1 form, 2 goss, 2 graph, 1 helon, 2 hyos, 2 iod, 2 kali-br, 1 kali-c, 2 kreos, 2 lach, 1 lappa, 1 lec, 1 lil-t, 2 med, 2 merc, 1 mill, 1 mit, 3 NAT-C, 3 NAT-M, 1 nat-p, 2 nux-m, 1 nux-v, 2 orig, 2 ov, 2 phos, 1 phyt, 2 plat, 1 plb, 2 puls, 1 ruta, 2 sabal, 2 sabin, 1 sec, 2 senec, 3 SEP, 2 sil, 1 sulph, 2 sul-ac, 2 syph, 1 ther, 1 vib, 1 wies, 1 x-ray, 2 zinc
  2. রক্তস্রাব, বন্ধ্যা মহিলাদের – BLEEDING, infertile, women (1)
  3. কষ্টরজঃ, বন্ধ্যা মহিলাদের – DYSMENORRHEA, infertility, in (3)
  4. বন্ধ্যাত্বের সহিত, স্তন ও জরায়ুর শুষ্কতা – INFERTILITY atrophy of breasts and ovaries (1)
  5. বন্ধ্যাত্ব- স্বামী বীর্য ধারন করে রাখতে অক্ষমতার কারনে – INFERTILITY non retention of semen, from (1)
  6. বন্ধ্যাত্ব- ডিম্বকোষ দুর্বল হওয়ার কারনে – INFERTILITY ovarian atony, from (1)
  7. বন্ধ্যাত্ব- অত্যধিক রজঃস্রাব এর কারনে – INFERTILITY profuse, menstrual flow, from (7)
  8. বন্ধ্যাত্ব- অত্যধিক রজঃস্রাব এবং মাস পুর্ন হওয়ার পূর্বেই পরবর্তী রজঃস্রাব হওয়ার কারনে – INFERTILITY profuse, menstrual flow, from and too early (1)
  9. বন্ধ্যাত্ব- অত্যধিক রজঃস্রাব এবং কখনো মাস পুর্ন হওয়ার পূর্বে ও কখনো মাস পুর্ন হওয়ার পরে পরবর্তী রজঃস্রাব হওয়ার কারনে – INFERTILITY profuse, menstrual flow, from and too early or too late (1)
  10. বন্ধ্যাত্ব- তার সহিত অত্যাধিক পরিমানে স্বামী সহবাসের ইচ্ছা – INFERTILITY sexual desire, excesses, with (5)
  11. বন্ধ্যাত্ব- তার সহিত স্বামী সহবাসের অনিচ্ছা – INFERTILITY sexual desire, excesses, without (3)
  12. বন্ধ্যাত্ব- সাইকোসিস মায়াজম ঘটিত – INFERTILITY sycotic (2)
  13. বন্ধ্যাত্ব- তার সহিত সাদাস্রাব যায় – INFERTILITY vagina discharge, with (3)
  14. বন্ধ্যাত্ব- তার সহিত ক্ষতকর সাদাস্রাব – INFERTILITY vagina discharge, with acid, from (1)
  15. বন্ধ্যাত্ব- তার সহিত শারীরিক দুর্বলতা – INFERTILITY weakness, from (3)
  16. বন্ধ্যাত্ব- অতি তাড়াতাড়ি বার বার ঋতুস্রাব হওয়ার কারনে – MENSES, frequent, too early, too soon infertility, in (2)
  17. বন্ধ্যাত্ব- বিলম্বে ঋতুস্রাব হওয়ার কারনে – MENSES, late, menses, too infertility, in (1)
  18. বন্ধ্যাত্ব- অত্যাধিক রজঃস্রাব হওয়ার কারনে – MENSES, profuse infertility, in (4)
  19. বন্ধ্যাত্ব- অত্যল্প রজঃস্রাব হওয়ার কারনে – MENSES, scanty infertility, in (1)

Murphy – Male Sexual

  1. পুরুষের শুক্রের পরিমান কম হওয়ায় বন্ধ্যাত্ব – SPERM, low count of, infertility (2)

Murphy – Mind

  1. মনের বিষন্নতা বন্ধ্যাত্বের কারনে – DEPRESSION, (sadness), infertility, from (2)

Murphy – Constitution

  1. মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব, তার সহিত জরায়ুর সমস্যা – WOMEN, infertility, uterine troubles (4)

লক্ষণ সমূহের তথ্য সূত্রঃ মার্ফি রেপার্টরি।

 

নোটঃ

ঔষধের অপপ্রয়োগ হতে পারে, এ কারণে অনেক স্থানে ঔষধের নাম দেয়া হয়নি। ডাক্তার গন প্রদেয় ইংরেজি রুব্রিক দিয়ে রেপার্টরি থেকে ঔষধের নাম সমূহ খুঁজে পাবেন। যে ঔষধের নামের পার্শে ৩ লিখা আছে তা প্রথম গ্রেড, ২ হলে দ্বিতীয় গ্রেড, ১ হলে তৃতীয় গ্রেড এর ঔষধ বুঝতে হবে। বেরিকেট ( ) দেয়া স্থানের সংখ্যা, ঔষধ সংখ্যা হিসাবে বিবেচ্য।

পাইলস বা অর্শ রোগ হলে হোমিওপ্যাথি


অর্শ মলদ্বারের একটি জটিল রোগ। এ রোগে মলদ্বারের বাইরে বা ভেতরে, একপাশে বা চারপাশে, একটি বা একাধিক, গোলাকৃতি বা সুচাল গুটিকা দেখা দেয়। এ গুটিকাগুলোকে আমরা আঞ্চলিক ভাষায় ‘বলি’ বা ‘গেজ’ বলি। পায়খানা করার সময় এ বলিগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ সমস্যার অনুপাতে কারো অধিক পরিমাণে, কারো স্বল্প পরিমাণে রক্ত যায়। আবার অনেকের রক্ত যায়ই না। অনেকের ব্যাথা থাকে অনেকের থাকেনা।

অর্শের কারণ :-

ক. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া।
খ. শরীরের অতিরিক্ত ওজন।
গ. মহিলাদের গর্ভাবস্থায় জরায়ুর ওপর চাপ পড়লে।
ঙ. লিভার সিরোসিস।
চ. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া.
ছ. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া।।
জ. পরিবারে কারও পাইলস থাকা মানে বংশগত।
ঝ. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি কারনে হয়ে থাকে। তাছাড়া যাদের প্রায় চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, বিবিধ খাবারের অভ্যাস আছে।

লক্ষণসমূহ :-

• পায়খানা করার সময় অত্যধিক বা অল্প পরিমাণে রক্ত যেতে পারে।
• গুহ্য দ্বারে জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যায়।
• টাটানি ও যন্ত্রণা।
• কাঁটাবিদ্ধ অনুভূতি।
• মাথা ধরা ও মাথা ভার বোধ।
• উরুদেশ, বক্ষ, নাভির চারপাশে ব্যথা ও মলদ্বারে ভার বোধ। • কোমর ধরা ও কোষ্ঠবদ্ধতা।

অর্শ রোগে আক্রান্তদের করণীয় :-

১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা।
২. বেশী পরিমাণে শাকসবজী ও অন্যান্য
আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি (প্রতিদিন ১২-১৮ গ্লাস) পান করা
৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা
৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো
৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা
৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা
৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা
৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন চিকিৎসা গ্রহণ না করা।
৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া
১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।
১১. চিকিৎসকের পরামর্শমতো বিশ্রাম নেয়া।
১৩. পেটে হজম হতে চায় না এমন খাদ্য বর্জন করা।
১৪. হাতুরে ডাক্তার বা কবিরাজ দিয়েচিকিৎসা না করা।
১৫. অধিক মশলা জাতীয় খাদ্য পরিহার করা।

কি খাব?

শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি খাবারের কিছুটা অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি তাহলে কিছুটা প্রতিকার পেতে পারি। আর যাদের অর্শ হয়ে গেছে তারা এই খাবারগুলি অবশ্যই খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

কি খাবনা-

গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, বিশেষ করে শুটকির ভুনা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল।

পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ

পরোটা, লুচি, পুরি, পিঁয়াজি, সিঙ্গারা, চিপস ইত্যাদি এই খাবার গুলি বর্জন করতে হবে। চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, অতিরিক্ত ঝাল, ভুনা খাবার, কাঁচা লবণ, দেশী বিদেশী হরেক রকমের বাহারি নামের অস্বাস্থ্যকর খাবার গুলি বর্জন করতে হবে।

অর্শ বা পাইলস রোগের চিকিৎসাঃ

এই অর্শ রোগীদের নিয়ে আছে অনেক কবিরাজি, হেকিমি, তাবিজ, মানে চিকিৎসা নামে অনেক অপচিকিৎসা। এই বিষয়ে একটু সচেতন হয়ে আমাদের চলতে হবে। বিজ্ঞান ও বাস্তব সম্মত চিকিৎসা বিধান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রয়েছে এর সুন্দর ও স্বাস্থ্য সম্মত চিকিৎসা। যা কোন অপারেশনের প্রয়োজন হয়না। আমার চিকিৎসা জীবনে দেখেছি অনেকেই অপারেশন করেছে কিন্তু কিছুদিন পর আবার দেখা দিয়েছে। আবার অনেকের দেখেছি জটিল আকার ধারণ করতে। তাই বলব একটু চোখ কান খোলা রেখে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকবেন।

মনে রাখবেন, অর্শ এমন একটি রোগ যা বারবার অপারেশন করা যায়না। কিছু অভ্যাস চেঞ্জ ও কিছু নিয়ম পালন করলে অবশ্যই এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

যৌন সমস্যায় হোমিওপ্যাথি


বর্তমানে যৌন সমস্যা একটি মারাত্মক সমস্যা। দিন দিন এই রোগীর হার বেড়ে যাচ্ছে। এই সমস্ত রুগীদের চিকিৎসা নিয়ে আছে অনেক জটিলতা। দেশের আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন চমকপ্রদ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। অনেকেই এসব রঙ-বেরঙ্গের প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা নিয়ে হচ্ছে প্রতারিত। আমার কাছে অনেক রুগীরা আসে। তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে অনেকেই এ রোগ নিয়ে মহাটেনশনে আছেন। অনেকেই এ সমস্যা নিয়ে বিচলিত। কোথায় গেলে ভাল চিকিৎসা পাবে তা কেউ বুঝতে পারছেন না।

আসলে যৌন সমস্যা কোন সমস্যাই নয়। একটু বুঝে চললে আর জীবনটাকে নিয়মের ভিতর আনলে এ রোগ কোন রোগই নয়। তবে জীবন চলার পথে কিছু সমস্যা থাকে। আমরা নিজেরাই কিছু সমস্যা নিজেদের শরীরে সৃষ্টি করি। যার ফলে আমরা হতাশায় ভুগি আর ভাবি হয়ত এ রোগের কোন চিকিৎসা নাই। কিন্তু এখনও যদি আমরা জীবনটাকে সুন্দর করে সাজাতে পারি আর সমস্যার কারনে ভাল ও অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হই আল্লাহর রহমাতে আমরা একটি সুন্দর সুখী নীড় তৈরী করতে পারব। আজকাল রাস্তাঘাটে চলাফেরা করলে দেখি বাহারি রঙের বাহারি সব চিকিৎসার পোস্টার বা সাইনবোর্ড।

বিশেষ করে যৌন সমস্যা নিয়ে। অনেক পোস্টার দেখা যায় যে তারা সাত দিনের ভিতর সব ঠিক করে দিবে। চ্যালেঞ্জ, গ্যারান্টি, বিফলে মূল্য ফেরত, জীবনের শেষ চিকিৎসা বিবিধ।

আসলে মুল কথা হল আমাদের দেশে বেশীর ভাগই পুরুষরা এ সমস্যাই ভুগছে। মেয়েদের ভিতর এ সমস্যা আছে তবে খুব কম। আমরা চিকিৎসা করার সময় দেখি মেয়েদের সংখ্যা অনেক কম। এক হিসেবে সেক্স সমস্যাটা কিছুই না। তবে বিশেষ কিছু কারনে সমস্যা হয়ে থাকে। মুলতঃ যে সব কারনে সমস্যা হয়ে থাকে সেগুলো হচ্ছে-

১- মানসিক দুঃচিন্তা, মানসিক হতাশা, মানসিক ভীতি।
২- অতিরিক্ত হস্তমৈথুন
৩- সময়মত বিবাহ না করা।
৪- যৌনশক্তি বাড়ানোর নামে অনটাইম মেডিসিন সেবন করা।
৫- অতিরিক্ত ধূমপান করা।
৬- নেশার জিনিষ সেবন করা।
৭- স্বামী-স্ত্রী মাঝে বহুদিন সম্পর্ক ছিন্ন থাকা।
৮- দীর্ঘদিন যাবত কঠিন আমাশয় ও গ্যাস্ট্রিক রোগে ভোগা।
৯- সঙ্গ দোষ। অর্থাৎ খারাপ বন্ধুদের কারনে খারাপ কাজে সম্পৃক্ত হওয়া, পর্ণ মুভি দেখা, এ জাতীয় চিন্তা করা।
১০- অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়া।
১১- ডায়াবেটিস হবার কারনে।
১২- মোটা হবার কারনে।
১৩- যারা কায়িক পরিশ্রম কম করে, মানে অলস যারা।
১৪- প্রেম করে বিয়ের আগেই অবাধ মেলামেশা করা।
১৫- পরিবারের উদাসীনতা।
১৬- ধর্মীয় অনুশাসন না মেনে চলা।

মূলতঃ এসব কর্মকাণ্ড-ই আরও সমস্যা আছে। তবে এ সমস্যাগুলো আমরা চিকিৎসা করার সময় রোগীদের মাঝে দেখি। যে সমস্যা থেকেই Impotence হোকনা কেন হোমিওপ্যাথিই পারে এর সমাধান। চিকিৎসা আমরা রোগের নয় রোগীর করে থাকি। সেদিক থেকে অনেক মেডিসিন আসে যেমন –

1-Acid Phos.
2-Agnus Cast.
3-Ashwagandha.
4-Caladium Segu.
5-Damiapalant.
6-Ginseng.
7-Muira Puama.
8- Nupher Luteum.
9-Salis Nig.
10-Selenium.
11-Trriubulas Terri.
12-Titanium.
13-Yohimbinum.

অসংখ্য মেডিসিন আছে হোমিওপ্যাথিতে। লক্ষনের সাথে মিল রেখে হোমিও নিয়মনীতি অনুযায়ী চিকিৎসা করলে আল্লাহর রহমতে পুরো সুস্থতা সম্ভব। তবে এ সমস্যা হতে মুক্তি পাবার আগে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে তা হল অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড প্রাপ্ত অভিজ্ঞ ডাঃ কাছে যেতে হবে, যে মেডিসিন খাবেন তা অরিজিনাল হতে হবে, (এখন জার্মান ওইলমার শোয়েব কোম্পানির মেডিসিন নিঃসন্দেহে খুব ভালো)। একজন ভাল ডাঃ আপনার সমস্ত কথা শুনে মেডিসিন লিখে দিল কিন্তু আপনি ওরিজিনাল মেডিসিন পেলেননা লাভ কিছুই হলনা। সেই জন্য সব দিক খেয়াল রেখে চিকিৎসা নিন ভালো থাকবেন। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা কখনই অস্থায়ী নয়। এ চিকিৎসার পুরো কোর্স কমপ্লিট করলে স্থায়ী সমাধান অবশ্যই সম্ভব।

সবশেষে একটি কথা না বললেই নয়, যে সমস্ত ভাইয়েরা বাজারে প্রচলিত যেসব অনটাইম সেক্সুয়াল মেডিসিন পাওয়া যায় সেগুলো স্বাস্থ্যর জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ বিষয়ে অনেকেই অনেক কথা বলতে পারে কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এসব মেডিসিন ক্ষতি ছাড়া কোন উপকার হয়না। তাই আমরা সচেতন থাকব। হোমিও চিকিৎসা নিন সুস্থ ও সজীব থাকুন।

চুলকানির চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি


প্রুরিটাস বা চুলকানি হলো একটি রোগ লক্ষণ। এটি সাধারণত দু’ধরনের হয়ে থাকে। মহিলাদের বাহ্যিক যৌনাঙ্গের চুলকানি (Pruritus vulvae ev Pruritus vaginae) এবং পায়খানার রাস্তার চারপাশে চুলকানি (Pruritus ani)। এটি এমন এক অশান্তিদায়ক অনুভুতি যা মানুষকে খামচাতে অর্থাৎ চুলকাতে উৎসাহিত করে থাকে। খামচানো থেকে মাঝে মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের রোগের সংক্রমণ (secondary infection) দেখা দেয়। প্রুরিটাস বা এসব রোমাঞ্চকর চুলকানির উল্লেখযোগ্য কারণগুলির মধ্যে আছে এলার্জি, জীবাণু সংক্রমণ, জন্ডিস, লিম্ফোমা, পাইলস, ডারমাটাইটিস (contact dermatitis), সোরিয়াসিস (psoriasis), ট্রাইকোমোনিয়াসিস (trichomoniasis), সুতা কৃমি, ত্বকের ইরিটেশন, ক্যানডিডিয়াসিস, ছত্রাকের (fungus) আক্রমণ ইত্যাদি। সর্বোপরি মানসিক (psychogenic) কারণেও প্রুরিটাস হতে পারে। এসব জায়গা দীর্ঘদিন একনাগারে চুলকানোর কারণে ফুলে মোটা হয়ে যেতে পারে এবং শক্ত হয়ে যেতে পারে।

সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এটি ক্যান্সারে রূপ নিয়ে রোগীর জীবনকে মৃত্যুর দুয়ারে নিয়ে হাজির করতে পারে।

লক্ষণ অনুসারে নিম্নোক্ত ঔষধ প্রয়োগ করলে আশনুরুপ ফল পাওয়া যায়।

Calendula Officinalis : ক্যালেণ্ডুলা (ঔষধটি ভ্যাসেলিনের সাথে মিশিয়ে মলম আকারে ব্যবহার করে) অথবা আরো কিছু ঔষধ আছে যা ব্যবহার করে সাময়িক আরাম পেতে পারেন। কিন্তু এই জাতীয় চিকিৎসার উপকার নেহায়েত সাময়িক এবং সেই কারণেই অযৌক্তিক। স্থায়ীভাবে রোগ নিরাময়ের জন্য চিকিৎসা করতে হবে রোগের কারণ অনুযায়ী। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো রোগীর মায়াজম বা রোগপ্রবনতা (Miasm/ susceptibility) অর্থাৎ সামগ্রিক মনো দৈহিক বা ধাতুগত দিকে লক্ষ্য রেখে ঔষধ নির্বাচন করতে হবে। তবে প্রায় ক্ষেত্রেই নোসোড (nosode) বা জীবাণু থেকে তৈরী ঔষধগুলির সাহায্য নিতে পারেন। পাশাপাশি যকৃত (liver) এবং প্লীহাতে (spleen) কোনও সমস্যা আছে কিনা তাও লক্ষ্য করা দরকার। সেক্ষেত্রে এসব সমস্যা আগে দূর করতে হবে।

Caladium seguinum : বার্নেটের মতে ক্যালাডিয়াম ঔষধটি (শক্তি ৬,১২,৩০,২০০) অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রুরিটাস নির্মূলে সফল হয়ে থাকে।

Mercurius sol: মার্ক সল ঔষধটির প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো প্রচুর ঘাম হয় কিন্তু রোগী আরাম পায় না, ঘামে দুর্গন্ধ বা মিষ্টি গন্ধ থাকে, ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরে, পায়খানা করার সময় কোথানি, পায়খানা করেও মনে হয় আরো রয়ে গেছে, অধিকাংশ রোগ রাতের বেলা বেড়ে যায়। রোগী ঠান্ডা পানির জন্য পাগল। ঘামের কারণে যাদের কাপড়ে হলুদ দাগ পড়ে যায়, তাদের যে-কোন রোগে মার্ক সল উপকারী।

Sepia : ক্যালাডিয়াম ঔষধটির পরে আসে সিপিয়া ঔষধটির পালা। এটিও প্রুরিটাসের একটি সেরা ঔষধ।

Sulphur : সালফার চুলকানির একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। সালফারের প্রধান প্রধান লক্ষণগুলো যেমন সকাল ১১টার দিকে ভীষণ খিদে পাওয়া, শরীর গরম লাগা, রাতে চুলকানি বৃদ্ধি পাওয়া, গরমে চুলকানি বৃদ্ধি পাওয়া, মাথা গরম কিন্তু পা ঠান্ডা, মাথার তালু-পায়ের তালুসহ শরীরে জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাওয়া গেলে অবশ্যই সালফার প্রয়োগ করতে হবে।

Lapis alba : লেপিস স্ত্রী যৌনাঙ্গের চুলকানিতে একটি কাযর্কর ঔষধ। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো জ্বালাপোড়া, সূঁই ফোটানো-হুল ফোটানো ব্যথা, রাক্ষুসে ক্ষুধা, মিষ্টি খাবারের প্রতি ভীষণ লোভ ইত্যাদি।

 

বিঃদ্রঃ- যদিও পোস্টে ঔষধের নাম উল্লেখ করা আছে, তারপরও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনও ঔষধ সেবন করবেন না। এতে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

ভাল থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।

স্বার্থপরে ভরা পৃথিবীটা

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *